মেইন ম্যেনু

ছাত্রলীগের কাছে আমি বিশেষভাবে কৃতজ্ঞ : জাবি উপাচার্য

দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা সোমবার থেকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের পদত্যাগের দাবিতে তার বাসভবন ঘেরাও করে রাখেন। মঙ্গলবার দুপুরে আন্দোলনকারীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলার অভিযোগ ওঠে। ছাত্রলীগ সেসময় অবরুদ্ধ উপাচার্যকে তার বাসভবন থেকে বের করে আনে।

অবরুদ্ধ দশা থেকে বের হয়ে এসে উপাচার্য এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন। সেখানে তিনি বলেন, ‘আমার জন্যে এটা অত্যন্ত আনন্দের একটি দিন। এই কারণে যে, মিথ্যা অভিযোগের ভিত্তিতে আমাকে অপদস্থ করা হয়েছে। অসম্মান করা হয়েছে। কিন্তু কোনো প্রমাণ ছাড়াই। যদি প্রমাণ পায় তাহলে যা বিচার হবে আমি মেনে নিবো।’

উপাচার্য আরও বলেন, ‘আমি মনে করি দেশে একটা জাগরণের সময় এসেছে এবার যে, আমরা সত্য কথা বলার কোনো জায়গা পাবো কী না? তখনই পাবো যখন মানুষ জেগে উঠবে। আজকে সেই মানুষের জেগে উঠা আমরা দেখেছি। আমি কৃতজ্ঞ আমার সহকর্মীদের কাছে, আমি কৃতজ্ঞ আমার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাছে। আমি কৃতজ্ঞ সকল ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে, বিশেষ করে ছাত্রলীগের কাছে। তারা দায়িত্ব নিয়ে এই কাজটি করেছে।’

আন্দোলনকারী শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা বিষয়ে উপাচার্য বলেন, ‘এটি গণঅভ্যুত্থান, আমি বলেছি। আমার কোনো নির্দেশে তারা করেনি। হামলা সেখানে হয়েছে, হামলা এখানেও হতে পারে। যদি হামলা হয়ে থাকে, সেটি প্রক্টর দেখবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ওদের মধ্যে যা হওয়ার হয়েছে, এটিকে আপনি হামলা বলতে পারেন, আমি বলব না। তাহলে আমার বাড়িতে আমাকে আটকে রেখে, আমার বাড়িতে অন্যান্য সদস্য আছে, শিশু আছে দুবছরের, উনার বাড়িতে আছেন একজন বৃদ্ধা ৮০ বছরের, তো আমাদেরকে যে হামলা করা হচ্ছে, আমাদের যে গালিগালাজ করা হচ্ছে, ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না, আমরা বাইরে যেতে পারছি না। এটি হামলা নয়?’

অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম বলেন, ‘শুধু শারীরিক ধাক্কাধাক্কি কী হামলা হলো নাকি, তারা যে বলছে হামলা করেছে। আমি বলব- আমি মর্মাহত।’

ছাত্রলীগের কাছে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানানো বিষয়ক প্রশ্নের উত্তরে উপাচার্য বলেন, ‘কারণ ছাত্র হিসেবে ওরা (ছাত্রলীগ) এতদিন ধরে ধৈর্য রেখেছে। ওরা কিন্তু তখন মাঠে নামেনি। কিন্তু, শিবির যখন এর (আন্দোলন) সঙ্গে জড়িত হয়ে গেছে, তখন প্রতিবাদ করাকে আমি মনে করি, তারা যথাযথ ভূমিকা পালন করেছে।’



মন্তব্য চালু নেই