মেইন ম্যেনু

ছেলেধরা সন্দেহে গর্ভবতী নারীকে গণপিটুনি

বাংলাদেশে গলাকাটা বা ছেলেধরা সন্দেহে গণপিটুনির রেশ কাটতে না কাটতে ভারতের রাজধানী দিল্লিতে ছেলেধরা সন্দেহে গণপিটুনির শিকার হয়েছেন এক গর্ভবতী নারী। বিবিসি কে পুলিশ জানিয়েছে, ২৫ বছর বয়সী ওই নারীর অবস্থা এখন কিছুটা ভাল। ঘটনার সঙ্গে জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

দিল্লিসহ বেশ কিছু প্রদেশে সম্প্রতি ছেলেধরা গুজবে এমন গণপিটুনির ঘটনা হরহামেশা ঘটছে। যার সর্বশেষ উদাহরণ এ ঘটনা। গত বছরও ছেলেধরা সন্দেহে গণপিটুনিতে একজনকে হত্যার ঘটনা ঘটেছিল ভারতে।

অন্তঃসত্ত্বা ওই নারীকে গণপিটুনির একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, বেশ কিছু মানুষ তাকে ঘিরে রেখেছে। ছেলেধরা বলে দাবি করে সবাই মিলে ওই নারীকে বেধড়ক পেটাচ্ছে।

দিল্লি সংলগ্ন উত্তরপ্রদেশে সবচেয়ে বেশি গণপিটুনির ঘটনা ঘটেছে। পুলিশের মহাপরিচালক ওপি সিং বিবিসি’কে বলেন, “গত ২৯ অগাস্ট পর্যন্ত গণপিটুনির ৪৬টি ঘটনা ঘটেছে। সেসব ঘটনায় যারা গণপিটুনির শিকার হয়েছেন তাদের বিরুদ্ধে ছেলেপাচারের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।”

ওপি সিং বলেন, “আমরা মানুষকে অনুরোধ করছি তারা যেন গুজবে কান না দেন। এমন সন্দেহ হলে পুলিশকে ফোন করে জানান অথবা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যোগাযোগ করুন।” অগাস্টেই দিল্লির গাজিয়াবাদে ছয়টি গণপিটুনির ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছে।

পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নিরাজ জাদুয়ান বলেন, “এমনও ঘটনা ঘটেছে যে, একদল মানুষ রাস্তায় দাদির সঙ্গে নাতিকে দেখেও ছেলেধরা সন্দেহে দাদিকে পিটিয়েছে। দাদির থেকে নাতির গায়ের রঙ আলাদা হওয়ায় এমন নির্মমতার শিকার হয়েছেন দাদি।’

সূত্র:বিবিসি বাংলা



মন্তব্য চালু নেই