মেইন ম্যেনু

‘জিয়া-খালেদার সংসার বাঁচিয়ে দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু’

মুক্তিযুদ্ধের পর জিয়াউর রহমান তার স্ত্রী খালেদা জিয়াকে গ্রহণ করতে চাননি। বিষয়টি জানার পর বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা জিয়া এবং খালেদার দাম্পত্য জীবন জোড়া লাগিয়ে দিয়েছিলেন। এর ফলে খালেদা জিয়ার ভাগ্য পরিবর্তন হয়েছিল। তিনি প্রধানমন্ত্রীও হয়েছিলেন। কথাগুলো বলেছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বেগম ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা।

শনিবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে ‘দ্য ইঞ্জিনিয়ার্স-রত্নগর্ভা মা ২০১৯’ সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সন্তানের জন্য মা-বাবার ভূমিকা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বঙ্গমাতা যেমন সৎ ছিলেন, তার গর্ভেই এদেশের সৎ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জন্মগ্রহণ করেছিলেন। এ কারণেই তিনি (শেখ হাসিনা) আজ বিশ্বে সততার শীর্ষে। আর, অন্য মাকেও (খালেদা জিয়া) দেখেছি প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। তারও সন্তান আছে। আমরা তাদের কী দেখি? এক প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতির দায়ে দণ্ডিত হয়ে এখন কারাগারে। দুই মায়ের দ্বিমুখী যে ফলাফল, সেটা আপনারা দেখছেন। সেটা কিন্তু মায়ের জন্যই হয়েছে।

তিনি বলেন, এদেশ স্বাধীন হওয়ার জন্য যেসব মায়েরা আহত হয়েছিলেন, বঙ্গবন্ধু তাদের চিকিৎসার জন্য গোপনীয়তা রক্ষা করে ভারত থেকে ডাক্তার এনেছিলেন। শহীদ পরিবারের কন্যা ও বোনদের লেখাপড়ার ব্যবস্থা করেছেন। আমার জানামতে, তাদের অনেকেই ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার হয়েছিলেন।

বেগম ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা বলেন, বঙ্গবন্ধুই প্রথম এদেশে নারীর উন্নয়ন, ক্ষমতায়ন ও সমমর্যাদা প্রতিষ্ঠার জন্য সংবিধানের ২৭-২৮-২৯ ধারায় রাষ্ট্রীয় জীবনে নারীদের অংশগ্রহণে সমমর্যাদার কথা উল্লেখ করেছেন।

এবার ‘দ্য ইঞ্জিনিয়ার্স-রত্নগর্ভা মা ২০১৯’ সম্মাননা পেয়েছেন ৬০ জন নারী। অনুষ্ঠানে এসব মায়ের হাতে মেডেল, ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট তুলে দেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বেগম ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা।



মন্তব্য চালু নেই