প্রধান ম্যেনু

ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ১৬ জনের নাম-পরিচয় শনাক্ত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় ‘তুর্ণা নিশীথা’ এবং `উদয়ন এক্সপ্রেস’ ট্রেনের মধ্যে সংঘর্ষে ১৬ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও শতাধিক লোক। দুর্ঘটনার পর মঙ্গলবার রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন বলেছেন, তুর্ণা’র লোকোমোটিভ মাস্টার সিগনাল ভঙ্গ করেছেন। দুর্ঘটনার জন্য তিনিই দায়ী। এজন্য তাৎক্ষণিকভাবে তুর্ণা নিশীথা’র লোকোমোটিভ মাস্টার ও সহকারী মাস্টারকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

এদিকে ভয়াবহ এ দুর্ঘটনায় নিহতদের নাম-পরিচয় শনাক্ত করেছে জেলা প্রশাসন।

নিহতরা হলেন- মৌলভীবাজারের জাহেদা খাতুন (৩০), চাঁদপুরের কুলসুম বেগম (৩০), হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ের আল-আমিন (৩০), হবিগঞ্জের আনোয়ারপুরের আলী মোহাম্মদ ইউসুফ (৩২), চাঁদপুরের হাজীগঞ্জের পশ্চিম রাজারগাঁওয়ের মুজিবুল রহমান (৫৫), হবিগঞ্জের বহুলার ইয়াছিন আরাফাত (১২), চুনারুরঘাটের তিরেরগাঁওয়ের সুজন আহমেদ (২৪), হবিগঞ্জের বানিচংয়ের আদিবা (২), হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ের সোহামনি (৩), চাঁদপুরের উত্তর বালিয়ার ফারজানা (১৫), চাঁদপুরের হাইমচরের কাকলী (২০), হবিগঞ্জের রিপন মিয়া (২৫), চাঁদপুরের হাইমচরের মরিয়ম (৪), নোয়াখালীর মাইজদির রবি হরিজন (২৩), চাঁদপুর সদরের ফারজানা (১৫), হবিগঞ্জের চুনারুঘাটের পিয়ারা বেগম (৩২)।

নিহতদের পরিচয় শনাক্তের পর স্বজনদের খবর দেয়া হচ্ছে মরদেহ নেয়ার জন্য। নিহতদের মরদেহ স্থানীয় বায়েক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রাখা হয়েছে। হাহাকারে ছেয়ে গেছে বিদ্যালয়টার চারপাশ। মরদেহ দেখে কান্নায় ভেঙে পড়ছেন সেখানে উপস্থিত স্বজনরা।



মন্তব্য চালু নেই