প্রধান ম্যেনু

ঢাকা কলেজ ছাড়লেন আবরারের ছোট ভাই ফাইয়াজ

নিহত বুয়েটের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের ছোট ভাই আবরার ফাইয়াজ ঢাকা কলেজে পড়বেন না। মেধাবী আবরার নিহতের ঘটনায় তার পিতা-মাতা ও ছোট ভাইসহ পরিবারবর্গ চরমভাবে ভেঙ্গে পড়েছে। নানা ভয় ও শঙ্কা আবরারের পরিবারকে তাড়া করে বেড়াচ্ছে। এছাড়া মেধাবী আরবারকে হারানোর পর ছোটভাই ফাইয়াজকে তার পরিবারও আর ঢাকায় পড়াতে চাচ্ছে না।

নিহত আবরারের ছোটভাই ঢাকা কলেজের একাদশ শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী আবরার ফাইয়াজ মঙ্গলবার ঢাকা কলেজ থেকে ছাড়পত্র গ্রহণের পর কুষ্টিয়ার উদ্দেশে রওয়ানা হন। ছাড়পত্র নিয়ে তিনি কুষ্টিয়া সরকারি কলেজে ভর্তি হবেন। এদিকে মেধাবী ছাত্র আবরার ফাহাদকে হারিয়ে ছোট ভাই ফাইয়াজ বড় অসহায় ও একা হয়ে পড়েছেন। পৈশাচিক ও নারকীয় কায়দায় তার ভাইকে হত্যার পর থেকেই আর ঢাকায় পড়াশুনা করবেন না বলে আগেই জানিয়েছিলেন তিনি।

আবরারের পিতা বরকত উল্লাহ জানান, ছোট ছেলে আবরার ফাইয়াজের ছাড়পত্র চেয়ে ঢাকা কলেজে আবেদন করা হয়। পরে কলেজে কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের তড়িৎ পদক্ষেপে দ্রুত ছাড়পত্র দেয়া হয়। ফাইয়াজ কুষ্টিয়া সরকারি কলেজে ভর্তি হবেন বলে তিনি জানান।

এর আগে গত সোমবার বিকাল ৫টায় আবরারের পিতা-মাতা ও ছোটভাইসহ পরিবারের কয়েকজন সদস্য গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এসময় নিহত আবরারের মা রোকেয়া খাতুন প্রধানমন্ত্রীকে জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। প্রধানমন্ত্রী আবরারের মাকে সান্ত্বনা দেন এবং অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে আবরার হত্যার সাথে জড়িতদের বিচার ও সর্বোচ্চ শাস্তির আশ্বাস দেন।

উল্লেখ্য, গত ৬ অক্টোবর বুয়েটের তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের (১৭তম ব্যাচ) ছাত্র শেরেবাংলা হলের ১০১১ নম্বর কক্ষের আবাসিক ছাত্র আবরার ফাহাদকে বুয়েট ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীরা নির্দয়ভাবে পিটিয়ে হত্যা করে।



মন্তব্য চালু নেই