মেইন ম্যেনু

দুপুরে খাওয়ার পর ঘুমানো কতটা জরুরি?

সাধারণত খাওয়ার পরপরই ঘুমানো ঠিক নয় বলে চিকিৎসকরা পরামর্শ দিয়ে থাকেন। কিন্তু দুপুরের পর স্বল্প সময়ের ‘ভাত-ঘুম’ আপনাকে প্রাণবন্ত করে তুলতে পারে। একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, আপনার শরীর ও মনের স্বাস্থ্যের জন্য এ ভাত-ঘুম খুবই উপকারী। তবে লক্ষ্য রাখতে হবে সেই ঘুম যাতে আবার দীর্ঘ না হয়ে যায়। তাহলে উপকারের চেয়ে অপকারই বেশি হবে।

আসুন, জেনে নেওয়া যাক উপকারগুলো সম্পর্কে-

১) একাধিক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, ঘুম কম হলে আমাদের শরীরে কর্টিসোল হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায়। এই হরমোনর প্রভাবে বেড়ে যায় মানসিক চাপ। দিনের বেলা অল্প সময়ের জন্য হলেও এই ভাত-ঘুম বা ‘ন্যাপ’ আমাদের শরীরে সক্রিয় কর্টিসোলের ক্ষরণ কমাতে সাহায্য করে। ফলে মানসিক চাপ কমে যায়।

২) অফিসে হোক বা বাড়িতে, আপনি যেখানে যে কাজ করছেন, সে কাজেই প্রয়োজন মনযোগ ও দৃঢ়তা । একটি মার্কিন গবেষণায় দাবি করা হয়েছে, ৪০ মিনিটের ভাত-ঘুম বা ‘ন্যাপ’ যে কোনও কাজেই আমাদের ১০০ শতাংশ সজাগ ও সতেজ করে তোলে। গবেষকদের দাবি, শরীর চাঙ্গা আর তরতাজা রাখতে প্রতিদিন অন্তত ২০ মিনিটের ভাত-ঘুম বা ‘ন্যাপ’ প্রয়োজন।

৩) একাধিক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, প্রতিদিন অন্তত ২০ মিনিটের ভাত-ঘুম বা ‘ন্যাপ’ আমাদের স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।

৪) কাজের ফাঁকে ২০ মিনিটের ‘ন্যাপ’ আমাদের পঞ্চ ইন্দ্রিয়কে আরও সজাগ, সক্রিয় করে তোলে। এর ফলে কাজ করার ক্ষমতা বেড়ে যায় আর কাজের মানও উন্নত হয়।

৫) বিশেষজ্ঞদের মতে, কাজের ফাঁকে অন্তত মিনিটের ঘুম বা ‘ন্যাপ’ সৃজনশীলতা বাড়াতে সাহায্য করে।



মন্তব্য চালু নেই