দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সে মেয়র তাপস

দায়িত্ব নেয়ার পরদিনই দুর্নীতির অভিযোগে দুই কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করে আলোচনায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি মেয়র। এ বিষয়ে মেয়রের কোনো বক্তব্য পাওয়া না গেলেও দুর্নীতির বিরুদ্ধে তার অবস্থান জিরো টলারেন্স বলে জানান সচিব। স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু দু-একজনের বিরুদ্ধে নয়, দুর্নীতির শেকড় উৎপাটন করা গেলে তবেই সুফল মিলবে।

বরখাস্ত হওয়া ঢাকা দক্ষিণ সিটির অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আসাদুজ্জামান মিস্টার ১০ পার্সেন্ট নামে পরিচিত ছিলেন। ১০ শতাংশ কমিশন ছাড়া কোনো কাজই তিনি করতেন না। বরখাস্ত হওয়া প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা ইউসুফ আলী সরদারের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগও নতুন নয়।

দায়িত্ব নেয়ার পরদিনই এ দুই কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করলেন ডিএসসিসি মেয়র। দুর্নীতির বিরুদ্ধে মেয়রের এমন অবস্থানে আশার আলো দেখছেন সবাই। ডিএসসিসির সচিব আকরামুজ্জামান জানান, দুর্নীতির বিরুদ্ধে মেয়রের অবস্থান জিরো টলারেন্স।

তিনি বলেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে মেয়র জিরো টলারেন্স আছেন। দুর্নীতির বিরুদ্ধে এটুকু আমরা পেয়েছি। সে কারণে চিঠি জারি করেছি। কিন্তু বরখাস্ত হওয়া দুজনের বিস্তারিত আমি জানি না।

স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নগরভবনের তৃণমূল থেকে উচ্চ পর্যায় পর্যন্ত দুর্নীতিমুক্ত করা নাগেলে সুফল মিলবে না।

স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ ড. তোফায়েল আহমেদ বলেন, ডিএসসিসির অনেক দুর্নীতির কথা শুনেছি। এর বিস্তৃতি উপর থেকে নিচ পর্যন্ত ছিল। দু-একজনের চাকরিচ্যুত করা দিয়ে এটা শেষ হবে না। এ দুর্নীতির শেকড় উপড়ে ফেলতে হবে।

শুধু বরখাস্ত নয়, দায়ীদের বিরুদ্ধে ফৌজাদারি মামলা করারও পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।



মন্তব্য চালু নেই