মেইন ম্যেনু

দুর্বৃত্তদের আগুনে পুড়ল চার শতাধিক হাঁসের বাচ্চা

বরগুনার আমতলী উপজেলার গুলিশাখালী ইউনিয়নের নাইয়াপাড়া গ্রামে মজুমদার হাঁসের খামারে দুর্বৃত্তদের দেয়া আগুনে চার শতাধিক হাঁসের বাচ্চা পুড়ে মারা গেছে।

মঙ্গলবার রাতের এ ঘটনায় প্রাণে রক্ষা পেয়েছে আট শতাধিক হাঁসের বাচ্চা ও তত্ত্বাবধায়ক রিগেন মজুমদার এবং তার দুই শিশুপুত্র হৃদয় ও জয়ন্ত।

এ ঘটনায় বুধবার আমতলী থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।

জানা গেছে, উপজেলার গুলিশাখালী ইউনিয়নের নাইয়াপাড়া গ্রামের সুদীপ্ত মজুমদার গত দেড় মাস পূর্বে একটি হাঁসের খামার গড়ে তোলেন। ওই খামার দেখাশোনা করেন খামার মালিক সুদীপ্ত মজুমদারের ভাইয়ের ছেলে রিগেন মজুমদার।

মঙ্গলবার রাতে ওই খামারে তত্ত্বাবধায়ক রিগেন মজুমদার ও তার দুই শিশুপুত্র হৃদয় এবং জয়ন্ত ঘুমিয়েছিল। গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা ওই খামারে আগুন ধরিয়ে দেয়। আগুনের তাপে রিগেনের ঘুম ভেঙে যায়। পরে তার ডাক-চিৎকারে এলাকার লোকজন ছুটে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

আগুনের লেলিহান শিখায় খামারের ত্রিপলার প্রাচীর, বাচ্চা রাখার খাঁচা ও চার শতাধিক হাঁসের বাচ্চা পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এ ঘটনায় খামার মালিকের মেঝো ভাই নিরঞ্জন মজুমদার বুধবার আমতলী থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন।

খামারের তত্ত্বাবধায়ক রিগেন মজুমদার বলেন, আমার দুই ছেলে হৃদয় ও জয়ন্তকে নিয়ে আমি খামারে ঘুমিয়েছিলাম। গভীর রাতে আগুনের তাপে আমার ঘুম ভেঙে যায়। পরে ডাক-চিৎকার দিলে এলাকার লোকজন ছুটে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

তিনি আরও বলেন, টের না পেলে হাঁসের বাচ্চাতো রক্ষা পেতোই না, আমিসহ আমার দুই শিশুপুত্র পুড়ে মারা যেতাম।

স্থানীয় পিন্টু, পরাণ রায় ও শিশু দাস বলেন, ডাক-চিৎকার শুনে ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনি। তার আগেই ওই খামারের হাঁসের বাচ্চা, খামারের বেড়া ও খামারের বাচ্চা রাখার খাঁচা পুড়ে গেছে।

খামার মালিক সুদীপ্ত মজুমদার বলেন, আমার খামারের ক্ষতিসাধনের জন্য দুর্বৃত্তরা এ কাজটি করেছে। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।

আমতলী থানার ওসি মো. আবুল বাশার বলেন, এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে।



মন্তব্য চালু নেই