প্রধান ম্যেনু

নাজিয়া আফরিন এর কবিতা

তোমায় আমি

তোমায় দেখেছি আমি,
সাঝের বেলায় ক্লান্ত পাখির ডানায়-
গাইতে গাইতে যখন নীড়ে ফিরে।
তোমায় ভেবেছি আমি,
মিষ্টি প্রভাত বেলায়-
আসতে যদি সেই নদীর তীরে।
তোমায় চেয়েছি আমি,
নির্ঘুম রাতে একা বিছানায় শুয়ে-
কবিতায় লিখেছিলাম তোমায়।
তোমায় এঁকেছি আমি,
কলাপাতায় শিশিরকণায় ধুয়ে-
ভালোবাসতে বলেছিলে আমায়।
তোমায় রেখেছি আমি,
আমার মনের গুপ্ত ঘরে-
প্রাণপাখির মত সযতনে।
তোমায় সেধেছি আমি,
রাখতে আমায় তোমার তরে-
রাখতে তোমার মনে।

প্রশ্ন

তুমি কি দেখেছ কভু
আমার চোখের পানি?
আমিতো দেখেছি তোমার
শত ব্যথা আর গ্লানি।

তুমি কি সয়েছ কভু
নীরব ব্যথার জ্বালা?
আমিতো পরেছি গলে
শুকনো ফুলের মালা।

তুমি কি চলেছ কভু
অজানা পথে পথ ধরে?
আমিতো চলেছি আঁধারে
দুঃখগুলো সাথে করে।

তুমি কি শুনেছ কভু
সেই বিরহের গান?
যে গানে গাঁথা আছে
আমার মন ও প্রাণ।

তুমি কি চেয়েছ কভু
আপন করে আমারে?
আমিতো চেয়েও কাছে
পাইনি আজও তোমারে।

সাধ ও নিয়তি

ভেবেছিলাম কবি হব
সাজাব জীবনের কথা ছন্দে ছন্দে,
পাঠক নয়, শুধু তোমার মনকে
ভরে দেব মৃদু মৃদু আনন্দে।
সময়ের ব্যবধান ভিন্ন আয়োজনে
আমায় করল তোমার পর,
বেদনা-বিষাদে ভরিয়ে দিল
আমার ভালবাসার ঘর।
আনন্দ নামক যা ছিল
যাদুর ছোয়ায় তাই আজ বেদনা,
তোমার স্মৃতি অবশিষ্ট যা
সান্ত্বনায় বলে কেঁদো না।
আশারা বড় হতে চায়
দুঃখ বেদনা তলিয়ে,
স্বপ্নেরা পুড়ে ছাই হয়
কষ্টই থাকে এগিয়ে।
কবিতা লেখা হয় না আমার
আশারা হলো ছলনা,
তোমায় নিয়ে কবিতা লেখা
আজও আমার হলো না।



মন্তব্য চালু নেই