নেত্রকোনার দুর্গাপুরে যুবলীগ সাবেক নেতা আটক,থানায় বিশৃঙ্খলা

ওয়ার্ড যুবলীগ সাবেক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। তাকে ছাড়িয়ে নিতে থানায় যায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ দুর্গাপুর শাখার নেতাকর্মীরা। এমনই খবর পেয়ে বিশৃঙ্খলা এড়াতে থানা ফটক ঘেরাও করে রাখে বিএনপির নেতাকর্মীরা। (২৫ ফেব্রুয়ারী) মঙ্গলবার দুপুরে এমনই ঘটনা ঘটেছে নেত্রকোনার দুর্গাপুরে। তবে এ ঘটনায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করলেও কোনো সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেনি।

গ্রেফতারকৃত ওই ব্যক্তির নাম কামাল হোসাইন (৩৮)। তার বাড়ি দুর্গাপুর পৌর শহরের বুরুঙ্গা এলাকায়। সে ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ সভাপতি সিরাজুল হক সিরাজের ছেলে এবং আওয়ামী যুবলীগের ওয়ার্ড কমিটির নেতা বলে দাবি বিএনপি নেতাকর্মীদের।

অপরদিকে গ্রেফতারকৃত কামাল হোসাইন ইসলামী আন্দোলন দুর্গাপুর শাখার সদস্য বলে দাবি করেন ইসলামী আন্দোলনের নেতা-কর্মীরা।

জানা গেছে, সোমবার গভীর রাতে কামাল হোসাইন নামের ওই ব্যাক্তিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আইনী প্রক্রিয়া শেষে মঙ্গলবার দুপুরে তাকে আদালতে সোর্পদ করা হয়। এর আগে ইসলামী আন্দোলনের ২০-২৫ জন নেতা-কর্মী আটককৃত ব্যক্তিকে ছাড়িয়ে আনবে বলে থানায় যায় এর পরই বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা বিশৃঙ্খলা এড়াতে থানা ফটক ঘেরাও করে রাখে।

ইসলামী আন্দোলন দুর্গাপুর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রশীদ বলেন, কামাল হোসাইন আমাদের রেজিষ্টার ভুক্ত সদস্য। আওয়ামীলীগের নির্বাচনী সভায় কামালের ছবি দেখে তাকে আটক করা হয়েছে।

উপজেলা বিএনপি‘র যুগ্ন-আহবায়ক আলহাজ¦ জামাল উদ্দীন মাস্টার বলেন, কামাল হোসাইন ওয়ার্ড যুবলীগ এর নেতা। তাকে ছাড়িয়ে নিতে ইসলামী আন্দোলন দুর্গাপুর শাখার নেতা-কর্মীরা থানায় গিয়ে হট্রগোল করবে এমন সংবাদে দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে আমরা থানার সামনে অবস্থান করি। পরবর্তিতে তাকে ছাড়ানোর চেস্টায় ব্যার্থ হয়ে ফিরে যান ইসলামী আন্দোলনের নেতা-কর্মীরা।

দুর্গাপুর থানার ওসি বাচ্চু মিয়া বলেন, সোমবার রাতে ওয়ার্ড যুবলীগের নেতা কামাল হোসাইন কে আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে তাকে ছাড়িয়ে নিতে ইসলামী আন্দোলন দুর্গাপুর শাখার নেতাকর্মীরা থানায় আসে।

পরবর্তিতে বিশৃঙ্খলা এড়াতে বিএনপি‘র নেতাকর্মীরা থানা ফটকের সামনে অবস্থান নেয়। যুবলীগের লীগের রাজনীতির সঙ্গে কামাল হোসেন জড়িত থাকার প্রমাণ পেয়ে ইসলামী আন্দোলনের নেতাকর্মীরা থানা ত্যাগ করে।