মেইন ম্যেনু

নোয়াখালীর চাটখিলে ৪ বছরের প্রেম নিয়ে ২ পক্ষের মামলা, গ্রেফতার ১

এইচ.এম আয়াত উল্যা, নোয়াখালী প্রতিনিধি : নোয়াখালী চাটখিল উপজেলায় প্রেমের কারনে প্রেমিক জেলহাজতে দিন কাটছে একা, মামা বলেছেন \প্রেম মানে না জাতির কূল প্রেম বোঝে না উঁচু নিচু ভেদাভেদ প্রেমের কারণে যুগে যুগে কত ইতিহাস জন্ম হচ্ছে। কত মঞ্জিল সৃষ্টি আর কতো নগরী হয়েছে ধ্বংস \ প্রেম আছে বলেই পৃথিবী সুন্দর, আর এই ঘটনা ঘটেছে চাটখিল উপজেলায় ২ নং রামনারায়ন পুর ইউনিয়নের ধর্মপুর গ্রামে। এই ঘটনা নিয়ে চাটখিল থানায় বাদী হয়ে একটি পর্নোগ্রাফী ধারায় মামলা করেছেন প্রেমিকা মারজানা আক্তার মিতু মামলা সূত্রে জানা যায় ধর্মপুর গ্রামের (রুপের বাড়ীর) মাসুদ আলমের মেয়ে মারজাহান আক্তার মিতু (১৮) এর সহিত ৪ বছর ধরে প্রেম চলছে একই এলাকার ভোটের বাড়ীর মৃত ছেরাজুল ইসলামের ছেলে পারভেজ আলম এর পরিবারের সহ দুই পক্ষের লোকজন ও এলাকাবাসীর যানা শুনার মাধ্যমে ৪ বছর পূর্ব হইতে এলাকার পারভেজ আলম (২৬) এর সাথে মিতু গভীর প্রেম ভালবাসা করে আসছে। মামলা সূত্রে মিতু জানান আমি চাটখিল থানাধীন খোয়াজের ভিটি ফাজিল মাদ্রাসার ছাত্রী ২০১৯ সালের পরীক্ষার্থী। এবং আমার এলাকার পারভেজ আলম আমাকে প্রেমের প্রস্তাব দেয়। আমি তার প্রেমের প্রস্তাবে একপর্যায় তার সহিত প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলতে রাজী হই। উক্ত সম্পর্কের সুবাদে আমি বিভিন্ন সময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইমোতে ভিডিও কল পারভেজ আলম সাথে আমার প্রচন্ড আবেগীয় কথাবার্তা বলিতাম। কথাবার্তার মাঝখানে আমি পারভেজের সাথে আবেগ তাড়িত হইয়া তার সাথে ইমোতে আমার শরীরের বিভিন্ন গোপনাঙ্গ উন্মুক্ত প্রদর্শন করি। এবং আমার শরীরের বিভিন্ন উন্মুক্ত গোপনাঙ্গ প্রদর্শনের বিভিন্ন চিত্র মোবাইলে স্ক্রীনশর্ট দিয়া সেইভ করিতাম। এবং আমার মোবাইল থেকে পারভেজের মোবাইলে শেয়ার ইটের মাধ্যমে দিতাম। এই সংবাদ আমার মা বাবা মধ্যে জানাজানি হলে আমি পারভেজের সহিত মোবাইলের যোগাযোগ বন্ধ করিয়া দিই। এবং বর্তমানে আমি আলিম ফাইনাল পরিক্ষার্থী। গত ১২ এপ্রিল সন্ধ্যার পরে অন্যত্র হইতে আমার বিবাহের জন্য অন্য একটা বর পক্ষ আমাদের বাড়ীতে আসিলে উক্ত পারভেজ আলম সুনিয়া সু কৌশলে আমাদের বাড়ীতে আসিয়া আমাদের পরিবারের সুনাম ক্ষুর্ন করার চেষ্টা করে এতে আমি বাদী হইয়া পারভেজের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করি। চাটখিল থানার পুুলিশ পারভেজকে গ্রেফতার করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করে। এদিকে গ্রেফতারকৃত পারভেজ এর মা বাদী হয়ে মারজানা আক্তার মিতু সহ ৭ জনের বিরুদ্ধে বিজ্ঞ সিনিয়র বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালতে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। তিনি তার অভিযোগে বলেন আমি বাদী একজন সহজ, সরল, আইনমান্যকারী পর্দানশীল ও বিধবা মহিলা হই। অপরদিকে আসামীগণ জোর জুলুমবাজ, ঠকবাজ, প্রতারক বিশ্বাসভঙ্গকারী অত্যাচারী, সন্ত্রাসী, মুক্তিপণ আদায়কারী শ্রেনীর লোক হয়। আসামীগণ দেশীয় আইন কানুক সালিশ বিচার কিছুই মানে না। সকল আসামীগন একে অপরের সকল অপকর্মের সক্রীয় সহযোগী হয়। উল্লেখিত আসামীগন আমাদের পাশাপাশী বাড়ীর বাসিন্দা হয়। এবং দীর্ঘ ৪ বছর যাবত উভয় পরিবারের মধ্যে খুব ভাল সম্পর্ক বিদ্যমান ছিল। যার ফলে মারজানা আক্তার (মিতু) সহিত পারভেজ আলমের সহিত বিবাহ করার বিষয়ে উভয় পরিবারের একমত পোষন করেন। এবং এলাকার গন্যমান্য লোকজনের মোকাবিলায় উভয় পরিবারের মধ্যে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় মারজানা আক্তার (মিতু)র বয়স কম হওয়ায় মৌখিক ভাবে একটি অঙ্গিকার করা হয়। মারজানা আক্তান মিতু প্রাপ্ত বয়স্ক হইলে তাহারা উক্ত বিবাহের কার্য সম্পর্ন করিবে মর্মে উভয় পক্ষে মধ্যে ভাল সম্পর্ক থাকায় উক্ত বিষয় মানিয়া নিই। একে অপরের বাড়ীতে আসাযাওয়া করি। একে অপরের সহিত সুসম্পর্ক বজায় রাখি চলি।গত ৫/৬ মাস যাবত আমার ছেলে পারভেজকে সাথে নিয়া মারজানা আক্তার মিতু একই সাথে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরাঘুরি করার জন্য যাইতো উভয়ই বিভিন্ন জায়গায় ছবি উঠাইতো। বিগত ১০/১২ দিন পূর্বে হঠাত করে আমি জানতে পারি যে, মারজানা আক্তার মিতুর পরিবারের সদস্যগণ মিতুকে অন্যত্র বিবাহ দেওয়ার পায়তারা করিতেছে। উক্ত বিষয় অবগত হইয়া আমি আমার ছেলে পারভেজকে সহ এলাকার গন্যমান্য লোকজন নিয়া মিতুর বাবার বাড়ীতে যাইয়া দেখতে পাই মাসুদ আলম, মোরশেদ আলম, ফাতেমা বেগম, শাহানাজ আক্তার, রিপন, সহ চন্দ্রগঞ্জ থানাধীন মটরী সাকিনস্থ (সমাজী ব্যাপারী বাড়ী প্রকাশ মুন্সি মেম্বর এর বাড়ী) রুহুল আমিন প্রকাশ মুন্সি মেম্বরের ছেলে সোহাগ (২৭) সহ যোগসাজশে মিতুর বিবাহ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। উক্ত বিষয় দেখিয়া তাদের সম্মুখে যাইয়া ৪ বছর আগের কথা দেওয়া বিষয় জিঞ্জাস করিলে তারা কোন সদুত্তর না দিয়া উপরন্তু আসামীগণ আমাকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি ধমক দিয়ে বলে আমার ছেলে পারভেজের সাথে মিতুর বিবাহ দিবে না বলে হুমকি দেয়। ১২ এপ্রিল সন্ধ্যার পর সকল বিবাদী একসাথ হইয়া আমার ছেলের পারভেজকে সুকৌশলে তাদের বাড়ীতে দাওয়াত করে নিয়া প্রথমে বাধিয়া ফেলে এবং আসামীগণ লম্বা ছেনি গলায় ধরিয়া বলে বেশি বাড়াবাড়ি করিল এখানেই কাটি টুকরা টুকরা করিয়া ফেলবে। কিছুক্ষণ পরেই পুলিশ খবর দিয়া পুলিশের হাতে আমার ছেলেকে তুলিয়া দেয়। পুলিশ কোন কথা জিজ্ঞাসাবাদ না করিয়া আমার ছেলেকে থানায় নিয়া যায় বলে এই বাদী জানান। বর্তমানে বিবাদীদের ভয়ে পারভেজের মা বাড়ীতে ও এলাকার কোথাও চলাফেরা করিতে সাহস পায় না।



মন্তব্য চালু নেই