প্রধান ম্যেনু

বঙ্গবন্ধু থিমেই সেজেছে একুশে গ্রন্থমেলা, উদ্বোধন বিকেলে

ভাষার মাস ফেব্রুয়ারি শুরু হয়েছে। অপেক্ষা এখন বাঙালির প্রাণের অমর একুশে গ্রন্থমেলা উদ্বোধনের। আজ রোববার (২ ফেব্রুয়ারি) বিকেল তিনটায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মেলার উদ্বোধন করবেন। পাঁচটায় সর্ব সাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হবে বই মেলা। এর মধ্যেই সব প্রস্তুতি শেষ করেছে মেলার আয়োজক প্রতিষ্ঠান বাংলা একাডেমি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে উৎসর্গ করা এ মেলা সবার জন্য স্বাচ্ছন্দ্যের হবে এমন প্রত্যাশা সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রীর।

প্রস্তুত হয়েছে বাংলা একাডেমির সাত লাখ বর্গফুটের নান্দনিক প্রাঙ্গণ। অপেক্ষা এখন শুধু প্রাণের উচ্ছ্বাসের, তবেই তো পূর্ণতা পাবে বাঙালির পরম আরদ্ধ উৎসব অমর একুশে গ্রন্থমেলা।

শিকড়, সংগ্রাম, মুক্তি এবং অর্জন এ চার ভাগে সাজানো হয়েছে মেলা প্রাঙ্গণ। শিশুদের হুল্লোড়ের জন্য রাখা হয়েছে পর্যাপ্ত পরিসর। গ্রন্থ উন্মোচনের জন্য তৈরি বর্ণিল মঞ্চ। লেখক তো কথা বলবেনই, লেখকদের সাথে পাঠকের সন্ধি ঘটবে লেখক বলছি মঞ্চে।

ভাষা শহীদের স্মৃতির প্রতি নিবেদিত এই উৎসবে এবার ভিন্ন আঙ্গিক ও নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে উৎসর্গ করা এ উৎসবে সমস্ত থিমেই থাকছেন বঙ্গবন্ধু। কোনো কোনো প্রকাশনা সংস্থার প্যাভিলিয়নের ডিজাইনে স্থান পেয়েছে জাতির পিতার ৩২ নম্বর বাড়ির অবয়ব।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকাশনা সংস্থাগুলো শেষ করেছে প্যাভিলিয়ন ও বিভিন্ন ইউনিটের সমাহারে তৈরি স্টলের কাজ। শেষ মুহূর্তে কেবল প্রলেপ দেয়া ও টুকিটুকি কাজের ব্যস্ততা।

তারা বলেন, আমাদের প্রায় সব কাজ শেষ। স্টলে বইও চলে এসেছে।

মেলা প্রাঙ্গণে বঙ্গবন্ধুকে নানাভাবে খুঁজে পাবেন পাঠক। সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বলছেন, সবার জন্য স্বাচ্ছন্দ্যের হবে এবারে মেলা।

তিনি বলেন, বইমেলার সব জায়গায় বঙ্গবন্ধুর ছোঁয়া পাওয়া যাবে।

বিকেলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মেলার দ্বার উন্মোচন করবেন। এরপরই সবার জন্য উন্মুক্ত হবে মেলা প্রাঙ্গণ। ছুটির দিনগুলোতে বেলা ১১টা থেকে রাত ৯টায় এবং অন্য দিনগুলোতে বিকেল তিনটা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত সবাই প্রবেশ করতে পারবেন মেলা প্রাঙ্গণে।



মন্তব্য চালু নেই