মেইন ম্যেনু

বান্ধবীকে নিয়ে নতুন সংকটে বরিস জনসন

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এ যাবতকালের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক সংকটে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ঠিক এ সময়ই দেশটির প্রধানমন্ত্রীর কথিত প্রেমের কাহিনীর কেলেংকারিতে তীব্র বিতর্কের জন্ম নিয়েছে। খবর বিসিসি বাংলার।

বরিস জনসন যখন লন্ডনের মেয়র ছিলেন, তখন মেয়রের ক্ষমতার অপব্যবহার করে তার এক বান্ধবীকে সুযোগ-সুবিধে পাইয়ে দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ করা হচ্ছে। এ নিয়ে এখন কোনো ফৌজদারি তদন্ত হবে কিনা তা বিবেচনা করে দেখছে পুলিশের একটি তদারকি বিভাগ।

বরিস জনসনের এ কথিত বান্ধবী জেনিফার আরকিউরি একজন আমেরিকান ব্যবসায়ী। তার একটি তথ্য প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আছে। বরিস জনসন এ প্রতিষ্ঠানটিকে বিভিন্ন আর্থিক অনুদান দেয়া এবং জেনিফার আরকিউরিকে সরকারি খরচে বিভিন্ন দেশে ভ্রমণে নিয়ে যেতে তার অফিসকে ব্যবহার করেন, এমনটাই অভিযোগ করা হচ্ছে।

বরিস জনসন অবশ্য এসব অনিয়মের কথা অস্বীকার করেছেন। তার ঘনিষ্ঠ সূত্র জানায়, এ পুরো অভিযোগ আসলে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

এ ঘটনাটি প্রথম নজরে আসে গত সপ্তাহে সানডে টাইমসে প্রকাশিত এক রিপোর্টে।

সানডে টাইমসের রিপোর্টে বলা হয়, জেনিফার আরকিউরি লন্ডনের তৎকালীন মেয়র বরিস জনসনের ট্রেড মিশনের সদস্য হিসেবে বিদেশ ভ্রমণ করেন এবং তার কোম্পানিকে কয়েক হাজার পাউন্ডের অনুদানও দেয়া হয়।

লন্ডনের মেয়রের এবং তার অফিসের অন্য কর্মকর্তাদের কাজের তদারকি করে যে কর্তৃপক্ষ, সে গ্রেটার লন্ডন অথরিটি জানিয়েছে, তারা এই বিষয়টি ইন্ডিপেন্ডেন্ট অফিস ফর পুলিশ কন্ডাক্ট বা আইওপিসির কাছে চিঠি দিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর কাছেও একটি চিঠি পাঠিয়েছে গ্রেটার লন্ডন অথরিটি।

তাতে বলা হয়েছে, ২০০৮ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত যখন আপনি লণ্ডনের মেয়র ছিলেন, তখন জেনিফার আরকিউরির সঙ্গে আপনার বন্ধুত্ব ছিল এবং এ কারণে আপনি মিজ আরকিউরিকে বিভিন্ন ট্রেড মিশনে অংশ নেয়ার সুযোগ দিয়েছেন এবং তাকে বিভিন্ন স্পন্সরশিপের মাধ্যমে অর্থ দিয়েছেন, যেগুলো তার বা তার প্রতিষ্ঠানের পাওয়ার কথা ছিল না।

তবে এনিয়ে দেশটির প্রধানমন্ত্রী বলছেন, পুরো অভিযোগটিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। ডাউনিং স্ট্রিটের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বরিস জনসন যা করেছেন তা সব নিয়ম মেনে এবং স্বাভাবিকভাবেই করা হয়েছে।

সরকারের একটি উর্ধ্বতন সূত্র বলছেন, এ অভিযোগটি এমন এক সময় তোলা হচ্ছে, যখন কনজারভেটিভ পার্টির সম্মেলন শুরু হচ্ছে। এটি যে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তা স্পষ্ট।

ওই সূত্রটি বলছে, এ অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ দেখানো হয়নি। আর এ অভিযোগ গণমাধ্যামে প্রচার করার আগে প্রধানমন্ত্রীকে এর জবাব দেয়ার কোনো সুযোগও দেননি গ্রেটার লন্ডন অথরিটির কর্মকর্তা।



মন্তব্য চালু নেই