প্রধান ম্যেনু

বিদ্যুৎ ব্যবহারে মিতব্যয়ী হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

মুজিববর্ষের মধ্যেই দেশের প্রতিটি এলাকার মানুষ বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় আসবে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন-উৎপাদন ব্যবস্থার পাশাপাশি সঞ্চালন খাতকে এগিয়ে নিতেও ব্যাপক উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

বুধবার (১৩ নভেম্বর) গণভবনে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ২৩ উপজেলায় ৭টি বিদ্যুতকেন্দ্র ও ২৩টি বিশেষায়িত বিদ্যুতায়ন প্রকল্পের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

এ সময়, বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান জানান সরকারপ্রধান। বলেন, বিদ্যুতের মাধ্যমে প্রান্তিক মানুষের জীবনমান আলোকময় করতে বদ্ধপরিকর সরকার।

মুজিববর্ষের মধ্যেই দেশের প্রত্যেকটি প্রান্তে বিদ্যুতের আলো পৌঁছাবে জানিয়ে সবাইকে বিদ্যুৎ ব্যবহারে মিতব্যয়ী হতে আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

ভোটের মাধ্যমে বার বার আওয়ামী লীগকে নির্বাচিত করায় দেশবাসীকে ধন্যবাদ জানান সরকারপ্রধান। বলেন, মানুষের সমর্থন আছে বলেই দেশকে এগিয়ে নেয়া সম্ভব হচ্ছে।

মাত্র ক’বছর আগেও যেখানে বিদ্যুতের জন্য হাহাকারে ভুগেছেন দেশের প্রান্তিক জনপদের মানুষ সেখানে এখন দেশের ৯৫ ভাগ মানুষ বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় এসেছে। পাশাপাশি মাথাপিছু বিদ্যুৎ উৎপাদনের হার উন্নীত হয়েছে প্রতিঘণ্টায় ৫১০ কিলোওয়াটে। উৎপাদন সক্ষমতা পৌঁছেছে ২২ হাজার ৫৬২ মেগাওয়াটে। বছর বছর উৎপাদন সক্ষমতায় দেশ যখন নতুন রেকর্ড তৈরি করছে, তখন বুধবার উৎপাদনে এলো ৭৯০ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন ৭টি নতুন বিদ্যুতকেন্দ্র। এ অনুষ্ঠান থেকেই উদ্বোধন করা হয়, দশ জেলার ২৩ উপজেলায় শতভাগ বিদ্যুতায়ন কর্মসূচির।

আজ ৭টি বিদ্যুৎকেন্দ্র হলো- রংপুরে আনোয়ারা ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র, কর্ণফুলীতে ১১৩ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র, শিকলবহা ১০৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র, পটিয়া ৫৪ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র, তেঁতুলিয়া ৮ মেগাওয়াট সোলার বিদ্যুৎকেন্দ্র ও গাজীপুর ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র। সরকার ২০২১ সালের মধ্যে ২৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সমতা অর্জনের জন্য দ্রুত কাজ করছেন।

শতভাগ বিদ্যুতায়নের আওতার ২৩ উপজেলা হলো- বগুড়ার গাবতলী, শেরপুর ও শিবগঞ্জ, চট্টগ্রামের লোহাগড়া, ফরিদপুরের মধুখালী, নগরকান্দা ও সালথা, গাইবান্ধার ফুলছড়ি, গাইবান্দা সদর ও পলাশবাড়ী, হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর ও নবীগঞ্জ, ঝিনাইদহের কালিগঞ্জ ও মহেশপুর, কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ, নাটোর জেলার বড়াইগ্রাম, লালপুর ও সিংড়া, নেত্রকোনার বারহাট্টা ও মোহনগঞ্জ এবং পিরোজপুর জেলার ভান্ডারিয়া, কাউখালি ও ইন্দুরকানী।



মন্তব্য চালু নেই