মেইন ম্যেনু

বীরগঞ্জে বানভাসীদের পাশে সোহেল আহম্মেদ

এখনো বন্যাদূর্গতদের বাড়ী বাড়ী গিয়ে ত্রান সামগ্রী বিতরন করে এক অনন্য রকমের মানবিক উদাহরন সৃষ্টি করলেন দিনাজপুরের বীরগঞ্জের মানবসেবী সোহেল আহম্মেদ।

বীরগঞ্জে সকাল পর্যন্ত অবিরাম বর্ষনে ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন শত শত মানুষ। বীরগঞ্জ পৌরশহর সহ উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নের গ্রাম তলিয়ে যায় ভয়াবহ বন্যায়। শতশত মানুষের ঘরবাড়ী ভেঙ্গে যায় এবং পানির শ্রোতে ভেসে গেলে আশ্রয় হীন হয়ে পড়েন অনেক বানভাসী মানুষ। ভয়াবহ বন্যায় প্রানবাঁচাতে মানুষ সর্বস্ব হারিয়ে আশ্রয় নেন পৌরশহরের বিভিন্ন স্কুল কলেজে, বানভাসী মানুষেরা পড়েন ভীষন খাদ্য সংকটে।

এ অবস্থায় মানবিক বিপর্যয় বন্যা দেখা দিলে সেইদিন থেকে মানবসেবী সোহেল আহম্মেদ নিজ উদ্দেগ্য জরুরী ভাবে বানভাষী মানুষদের মাঝে তার সাধ্যমত ত্রান সামগ্রী বিতরন করা শুরু করেন এবং বিভিন্ন এলাকার বন্যা কবলিত অসহায় গরীব মানুষদের খোঁজ খবর নিয়ে ঐ সমস্ত এলাকায় গিয়ে শুকনো খাবার, চাল, আটা, বস্ত্র ও ঔষধ বিতরন করা অব্যাহত রাখেন।

তিনি কোন প্রতিষ্ঠান নন বা এক বিত্তবানো নন,তিনি একজন মধ্য পরিবারের সাধারন ব্যবসায়ী। তার এই মহানুভবতার বানভাসী মানুষদের মাঝে সেবামূলক কাজের জন্য বীরগঞ্জ বাসীর মনে সাড়া জাগিয়েছে। ২২ আগষ্ট দুপুরে মানবসেবী সোহেল আহম্মেদ তার সহধর্মীনি মোছাঃ মুন্নি আহম্মেদ ও একমাত্র পুত্র সন্তান তামিম আহম্মেদকে সাথে নিয়ে পৌর শহরের উত্তর সুজালপুর আদিবাসী পাড়া, কুমারপাড়া, পাল্টাপুর ইউনিয়নের কাজল গ্রামে এবং বিকেলে সুজালপুর ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামে প্রায় ৫০-৬০ টি পরিবারের মধ্যে ৩ কেজি করে চাল এবং ২ কেজি করে আটা সরবরাহ করেন।

তিনি ত্রান বিতরন কালে বলেন ভয়াবহ বন্যায় অনেক মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছেন। বিশেষ করে গরীব মানুষ যারা দিনমজুরী করে, রিক্সা-ভ্যান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন তাদের অবস্থা খুবই খারাপ। সমাজের প্রতিটি বিত্তবান মানুষ যদি ক্ষুদ্র পরিসরে হলেও বানভাসী মানুষদের পাশে এসে সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দিতেন তাহলে এই বানভাসী অসহায় মানুষগুলো অনেক উপকৃত হতো। তবে তিনি তার সাধ্যমত বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ একেবারেই গরীব মানুষ যারা তাদের সহযোগীতা করার চেষ্টা করবেন বলে মতপোষন করেন।

মানব প্রেমী সোহেল আহম্মেদ জানান, অনেকে এখনও রাস্তায় কোনমতে ডেরা টাঙ্গীয়ে আছেন ভিটায় ফিরে যেতে পারেননি সেই সমস্ত গরীব মানুষদের মধ্যে সরকারী ভাবে ত্রান বিতরন অব্যাহত রাখা এবং বাসস্থানের জরুরী ব্যাবস্থা করা প্রয়োজন ।

তিনি বানভাষী মানুষদের জন্য সমাজের বিত্তবান এবং সমাজসেবীদের সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দেবার আহ্বান জানান।



মন্তব্য চালু নেই