মেইন ম্যেনু

ব্রিটিশ পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারালো প্রধানমন্ত্রী বরিসের দল

হাউজ অব কমন্সে প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের বক্তৃতা চলাকালে নিজ দল ত্যাগ করে লিবারেল ডেমোক্রেট পার্টিতে যোগ দিয়েছেন এমপি ফিলিপ লি। ফলে বরিসের দল কনজারভেটিভ পার্টির আর কার্যকরি সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন লিবারেল ডেমোক্রেট দলের পার্লামেন্ট নেতা জো সুইনসন। এরপরে বিরোধীদলীয় নেতা জেরেমি করবিন বিতর্কে দাঁড়িয়ে বলেছেন, বর্তমান সরকার তার বৈধতা হারিয়েছে। লেবার পার্টি সাধারণ নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত। বিবিসি, সিএনএন, গার্ডিয়ান

ছুটির পর মঙ্গলবার বসেছে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট। ফিরেই বরিস জনসনের ব্রেক্সিট নীতি এবং পার্লামেন্ট স্থগিত করার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন এমপিরা। এদিন স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় (বাংলাদেশ সময় মধ্যরাত) চুক্তিহীন ব্রেক্সিট ঠেকাতে একটি বিল আনার কথা ছিলো। এই বিলে টোরি এমপিরা সমর্থন করলে ১৪ অক্টোবর আগাম সাধারণ নির্বাচন হবে, এই হুমকি দিয়ে রেখেছেন বরিস।

বিদ্রোহী এমপিদের নেতা ও সাবেক অর্থমন্ত্রী ফিলিপ হ্যামন্ড বলেছেন, তিনি ব্যক্তিস্বার্থে এই লড়াই করছেন না। তার এই লড়াই সারাজীবনে অর্জন করা আদর্শকে সমুন্নত রাখার লড়াই। ফিলিপের দাবি, তাদের হাতে যথেষ্ট এমপির সমর্থন রয়েছে। তাদের বিল অবশ্যই পাশ হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন হ্যামন্ড।

এদিন একাধিক ইস্যুতে এতো বেশি বিতর্কের আবেদন জমা পড়ে যে, পূর্বনির্ধারিত পার্লামেন্ট শিডিউল বদলাতে বাধ্য হন হুইপরা। প্রধান চেম্বারে প্রার্থনার মাধ্যমে স্থানীয় সময় আড়াইটায় শুরু হয় পার্লামন্টের কার্যক্রম। এরপর একটি জরুরী বিতর্কের সুচনা করেন স্পিকার বেরকাউ।

এদিকে কনজারভেটিভ নেতা গিয়ামাহ জানিয়েছেন, টোরি পার্টির এমপিরা জনসনের সরকারের বিরুদ্ধে ভোট দেবেন। কারণ এর চেয়ে ভালো কাজ আর হতে পারে না। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর যা ইচ্ছা তাই করার অধিকার নেই। পার্লামেন্টে উঠার পর বিলটি পাশ হয়ে যাবে বলে বিভিন্ন জরিপের ফলাফলে উঠে এসেছে। বিলটি পাশ হলে যুক্তরাজ্য আরো বড় রাজনৈতিক সঙ্কটে পড়ে যাবে।



মন্তব্য চালু নেই