প্রধান ম্যেনু

ভোট গণনার আগেই ‘পাস’ মৌসুমি, সিক্ত হচ্ছেন অভিনন্দনে!

শিল্পী সমিতির নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শেষে গণনা চলছে। এখনো নিশ্চিত করে কেউ বলতে পারছেন না কে পরতে যাচ্ছেন জয়ের মালা। অথচ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অভিনন্দনে সিক্ত হচ্ছেন মৌসুমি। কেউ কেউ লিখছেন, বিএফডিসি’র প্রথম নারী সভাপতিকে অভিনন্দন। তার মানে ফলাফলের আগেই সভাপতি প্রার্থী মৌসুমিকে জয়ী হিসেবেই দেখছেন তার ভক্তরা।

এদিকে, মৌসুমির স্বামী ওমর সানিও দাবি করছেন, ভোটে এগিয়ে আছেন মৌসুমি।

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন উপলক্ষে নিরাপত্তার বাড়াবাড়ি থাকলেও বেশ শান্ত-শৃঙ্খল পরিবেশে শেষ হয়েছে ভোট গ্রহণ। আজ ২৫ অক্টোবর, সকাল ৯টা ৭ মিনিটে বিএফডিসিতে ভোট গ্রহণ শুরু হয়ে শেষ হয় বিকাল ৫টা ২৬ মিনিটে।

নির্বাচন কমিশনার জানিয়েছেন, ৪৪৯ জন ভোটারের মধ্যে কাস্ট হয়েছে ৩৮৬টি ভোট। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পঞ্চাশ শতাংশ ভোট গণনা হয়েছে।

তবে এদিকে গণনা শেষ না হতেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব ছড়িয়েছে সভাপতি পদে জিতে গেছেন চিত্রনায়িকা মৌসুমী। খবরটি ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

এমন গুজবে বেশ বিরক্ত মৌসুমি নিজেও। তিনি সময় নিউজকে বলেন, ‘এ ধরনের গুজব নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করে। এখনো ভোট গণনা চলছে। আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করা উচিত সবার। যেই হারুক জিতুক, আমরা সবাই শিল্পী। দয়া করে কেউ গুজব ছড়াবেন না।’

রাত সাড়ে ৯টায় নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, এখন সদস্য পথের ভোট গণনা চলছে। সম্পাদকীয় ব্যালট বক্স খোলা হয়নি। ভোট গণনা শেষ হতে রাত প্রায় ১২টা বেজে যাবে।

এর আগে সকাল থেকে উৎসাহ উদ্দীপনায় বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। বিএফডিসি শিল্পী সমিতির কার্যালয়ে সকাল ৯টা থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হয়ে ভোটগ্রহণ চলে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। সমিতির মোট ভোটার ৪৪৯ জন; যা গত নির্বাচনে ভোটার সংখ্যার চেয়ে ১৮১ জন কম। জানা গেছে, এবার ভোট পড়েছে ৩৮৬টি; যা মোট ভোটের ৮৬ শতাংশ।

এবারের নির্বাচনে সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন চিত্রনায়িকা মৌসুমী ও খলনায়ক মিশা সওদাগর। সমিতির ২১টি পদের মধ্যে নির্বাচন হয় ১৮টিতে।

এদিকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আগেই বিজয়ী হিসেবে নাম এসেছে সাংগঠনিক সম্পাদক পদে সুব্রত, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক পদে জ্যাকি আলমগীর এবং কোষাধ্যক্ষ পদে ফরহাদের।

ভোটের আগে নানা জল্পনা-কল্পনা থাকলেও সব কিছু শেষে ভোট গ্রহণের দিনে প্রার্থীরা নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে সন্তুষ্টির কথাই জানান।

শিল্পী সমিতির প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন। আর নির্বাচন কমিশনার হিসেবে ছিলেন পীরজাদা শহিদুল হারুন ও বিএইচ নিশান। আপিল বোর্ডে চেয়ারম্যান হিসেবে আলম খান, সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সোহানুর রহমান সোহান ও রশিদুল আমিন হলি।

নির্বাচন উপলক্ষে পুলিশ মোতায়েন করে এফডিসিতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। শুধু ভোটার, সাংবাদিক ও নির্বাচন সংশ্লিষ্টদের এফডিসির গেট দিয়ে ঢুকতে দেয়া হয়। ভোটাররা এফডিসির গেটে পরিচয়পত্র দেখিয়ে ভোট দিতে প্রবেশ করেন। বিশেষ পরিচয়পত্র নিয়ে সাংবাদিকরা ভেতরে প্রবেশ করেন।

নির্বাচনের ফলাফলের বিরুদ্ধে কেউ আপিল করতে চাইলে নির্বাচনী আপিল বোর্ডের কাছে আপিল ফি (২০০০ টাকা) জমা দিয়ে আপিল করতে পারবেন। আপিল দাখিলের শেষ তারিখ ২৭ অক্টোবর। নির্বাচনী আপিল বোর্ডের আপত্তির শুনানি ও নিষ্পত্তির তারিখ ২৯ অক্টোবর। নির্বাচনী চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণার সাত দিনের মধ্যে বিদায়ী পরিষদ নবনির্বাচিত পরিষদকে দায়িত্ব অর্পণ করবেন।



মন্তব্য চালু নেই