মেইন ম্যেনু

মঙ্গল গ্রহ থেকে এলেও হিন্দুরা ভারতে থাকবেন : বিজেপি নেতা

শুধু বাংলাদেশ কেন, মঙ্গলগ্রহ থেকে আসা হিন্দুদের জন্যও ভারতে ছাড় থাকবে বলে জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু। আসামে এনআরসি চালুর পর পশ্চিমবঙ্গেও এটি চালুর ব্যাপারে দৃঢ় কেন্দ্রে ক্ষমতানসীন বিজেপি। তবে এর তীব্র বিরোধী রাজ্যে ক্ষমতাসীন তৃণমূল। এমন অবস্থার মধ্যে এই মন্তব্য করেন বিজেপির এই নেতা।

আসামে এনআরসি থেকে যে ১৯ লাখ লোক বাদ পড়েছে তার মধ্যে ১২ লাখই হিন্দু। এছাড়া অনেক গোর্খা এবং রাজবংশীদের নামও আসেনি ওই তালিকায়। তালিকায় যেসব হিন্দুদের নাম নেই তাদের এবং পশ্চিমবঙ্গের হিন্দুদের আশ্বস্ত করতে এমন মন্তব্য করেছেন সায়ন্তন বসু। সায়ন্তনও এ দিন স্পষ্ট ভাষায় জানান, হিন্দুদের কোনও চিন্তা নেই।

সায়ন্তন বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গে এনআরসি হতেই পারে। কিন্তু একজন হিন্দুর নামও তার থেকে বাদ যাবে না। সেই হিন্দু বাংলাদেশ থেকে আসুন, আফগানিস্তান থেকে কিংবা মঙ্গলগ্রহ থেকে আসুন’। একই সঙ্গে তিনি জানান, ‘তৃণমূলের বাধায় আটকে যাওয়া নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল আমরা রাজ্যসভায় পাশ করাব’।

কিন্তু এনআরসি নিয়ে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের ক্ষেত্রে আলাদা নীতি কেন? সায়ন্তন বলেন, ‘এ নিয়ে আমাদের দলের কোনো দ্বিচারিতা নেই। কারণ, দেশটা ভাগ হয়েছিল ধর্মের ভিত্তিতে’।

সায়ন্তনের এই মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি মৃদুল গোস্বামী। তিনি বলেন, ‘ভারত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র। এখানে ধর্মের ভিত্তিতে কাউকে ভাগ করা যাবে না। কিন্তু বিজেপি নেতারা এ ধরনের অরুচিকর মন্তব্য করে দেশের ধর্মনিরপেক্ষতাকে আঘাত করার চেষ্টা করছেন’। তার কথায়, ‘এনআরসি হলে হিন্দু বাঙালির নাম কাটা যাবে কিনা, তা আসামের তালিকাই প্রমাণ করে দিয়েছে’।

যদিও বিজেপির জেলা সভাপতি গঙ্গাপ্রসাদ শর্মার অভিযোগ, ‘তৃণমূল সরকার সঠিক সময়ে নথিপত্র যাচাই করে দেয়নি বলেই অসমে অনেক হিন্দু বাঙালীর নাম এনআরসির তালিকায় জায়গা পাননি’। তবে শেষ পর্যন্ত তারা বাদ পড়বেন না বলে দাবি গঙ্গাপ্রসাদের।



মন্তব্য চালু নেই