প্রধান ম্যেনু

মাস্কের দাম বেশি নেওয়ায় গুলশানে ২ ফার্মেসি সিলগালা

মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজারের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বেশি দামে বিক্রি করায় দুই ফার্মেসি সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে। সোমবার রাজধানীর গুলশানে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ফার্মেসি দুটি সিলগালা করে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

প্রতিষ্ঠানগুলো হলো, আল নূর ফার্মেসি ও সাফাবি ফার্মেসি। এ ছাড়া মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রির অপরাধে আল মদিনা ফার্মেসিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার। তিনি বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা প্রতিষ্ঠানগুলোতে নজরদারি রাখি। তারা দেশি-বিদেশি বিভিন্ন ক্রেতার কাছে মাস্কের দাম বেশি রাখে। এসব তথ্য আমরা ভিডিওতে ধারণ করেছি। পরে আমরা যখন তাদের কাছে মাস্ক কিনতে যাই তখন প্রতিষ্ঠানগুলো বলে যে তাদের কাছে মাস্ক নেই। অথচ এর আগে তারা বেশি দামে মাস্ক বিক্রি করেছে; যার প্রমাণ অধিদপ্তরের কাছে রয়েছে।’

‘জাতির এ ক্রান্তিকালে অনৈতিকভাবে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে মাস্কের দাম বেশি নেওয়া আইনত দণ্ডনীয়। এ অপরাধে দুটি প্রতিষ্ঠান সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে’, যোগ করেন তিনি।

মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার আরও বলেন, ‘রাজধানীর আরও কয়েকটি জায়গায় মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজারের কৃত্রিম সংকটকারীদের ধরতে অভিযান চলছে। যারাই অনৈতিক উপায় পণ্যের দাম বেশি নেবে তাদের কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে।’

এদিকে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে জনসচেতনতা তৈরিতে সরকারিভাবে পরামর্শ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও আইইডিসিআর। বাইরে থেকে বাসায় ফিরে সাবান বা অ্যালকোহলযুক্ত স্যানিটাইজার দিয়ে হাত ধোয়ার পরামর্শ দিয়েছে তারা।

প্রসঙ্গক, রোববার বিকেলে দেশে তিনজনের শরীরে করোনাভাইরাস আক্রান্তের সংবাদ শোনার পর থেকেই হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও মাস্ক কিনতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে ঢাকার মানুষ। আজ সোমবার সকালে পুরান ঢাকার চকবাজারের পাইকারি স্যানিটারি পণ্য বিক্রির মার্কেটে কমপক্ষে ৩০টি দোকানে গিয়ে কোনোটিতে হ্যান্ড স্যানিটাইজার পাওয়া যায়নি। বিক্রেতারা বলছেন, ‘রাতেই সব মাল বিক্রি হয়ে গেছে। অনেক ফার্মেসি মালিক ফোনে অর্ডার দিয়ে ভোরে মালামাল ডেলিভারি নিয়ে গেছেন।’

বাজারে বর্তমানে স্যাভলনের হ্যান্ড স্যানিটাইজার, ডেটল হ্যান্ড স্যানিটাইজার, সেপনিল হ্যান্ড স্যানিটাইজারসহ বেশ কয়েকটি ব্র্যান্ডের স্যানিটাইজার রয়েছে। এ ছাড়া আলমের হ্যান্ড স্যানিটাইজার নামে আমদানিকৃত একটি স্যানিটাইজারও জনপ্রিয়। তবে চকবাজারের পাইকারি বাজারে এদের কোনোটিই মেলেনি।



মন্তব্য চালু নেই