মেইন ম্যেনু

মুখে কালো কাপড় বেঁধে ঢাবিতে ছাত্রদলের মৌন মিছিল

জাহাঙ্গীরনগর ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে বাঁধার মুখে পড়লেও বুয়েট ছাত্র আবরার হত্যার প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শান্তিপূর্ণভাবে মৌন মিছিল করেছে ছাত্রদল। মৌন মিছিলে অংশগ্রহণকারী ছাত্রদল নেতাকর্মীদের মুখে কালো কাপড় বাঁধা ছিল।

আবরারের হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও ভারতের সঙ্গে ‘দেশবিরোধী’ চুক্তি বাতিল দাবিতে বুধবার দুপুরে ডাকসুর সামনে থেকে একটি মিছিল বের করে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। পরে মিছিলটি ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে।

মিছিলে ছাত্রদলের সভাপতি ফজলুর রহমান খোকন ও সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামল,বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি আল মেহেদী তালুকদার ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক নাসির উদ্দিন নাসির, ছাত্রনেতা আপেল মাহমুদসহ সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেয়।

মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামল বলেন, আজ সারাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে সরকার সমর্থিত ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগ একটি ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। যেখানে শিক্ষার কোন সুষ্ঠু পরিবেশ নেই। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নেই। মুক্ত চিন্তার স্বাধীনতা নেই। যেখানে সাধারণ শিক্ষার্থীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। বর্তমান সময়ে ছাত্রলীগ দানবীয় শক্তিতে রূপান্তরিত হয়েছে।

ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘সেই অপশক্তিকে বধ করার সময় এসেছে। সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের এখন জেগে উঠার সময় এসেছে। সারাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে আমাদের সবাইকে সোচ্চার হতে হবে। আমাদের এক ভাই আবরার সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করায় ছাত্রলীগের হাতে খুন হয়েছে। শহীদ আবরারের স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য আমরা হাজারো আবরার রাজপথে থাকব।’

মিছিলের ব্যানারে লেখা রয়েছে,‘ভারতের সাথে বাংলাদেশের স্বার্থহীন চুক্তির প্রতিবাদ করায় ছাত্রলীগ কর্তৃক বর্বরোচিত নির্যাতনে নিহত বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবি ছাত্র আবরার ফাহাদের হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং স্বদেশের স্বার্থহীন চুক্তি বাতিলের দাবিতে মৌন মিছিল।’

সোমবার রাতে বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এই ঘটনায় বুয়েট ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকসহ ১৯ জনকে আসামি করে চকবাজার থানায় মামলা করেছেন আবরারের বাবা। ইতিমধ্যে ১৩জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের মধ্যে ১০ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।



মন্তব্য চালু নেই