প্রধান ম্যেনু

মেয়াদোত্তীর্ণের ১৯ বছর পরেও কালুরঘাট সেতুতে চলছে যানবাহন

১৯ বছর আগে মেয়াদোত্তীর্ণ ও ঝু্ঁকিপূর্ণ ঘোষণা করা পরও চট্টগ্রামের কালুরঘাট সেতুর ওপর দিয়ে চলছে যানবাহন। জোড়াতালি দেয়া ৯০ বছরের পুরনো সেতুটি উন্মুক্ত রাখা হয়েছে যান চলাচলের জন্য। এতে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন সাধারণ মানুষ। এ অবস্থায় নতুন সেতু নির্মাণের দাবিতে জানিয়ে আন্দোলন করেছেন এলাকাবাসী।

ব্রিটিশ শাসনামলে চট্টগ্রামের কালুরঘাটে নির্মিত হয় এই সেতুটি। সড়ক ও রেল যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ সেতুর নানা অংশ ভেঙে জীর্ণশীর্ণ হওয়ায় চলতে হয় কচ্ছপ গতিতে। এ কারণে ২০০১ সালে সেতুটিকে মেয়াদোত্তীর্ণ ও ঝুকিপূর্ণ ঘোষণা করা হয়। এরপর নতুন সেতু নির্মাণ না হওয়ায় ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হয় সাধারণ মানুষকে। প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ বাড়ছে তাদের।

তারা বলেন, প্রচুর সময় নষ্ট হয়। সড়ক ও রেলসেতু চান তারা।

এ অবস্থায়, কালুরঘাটে আরেকটি সেতু নির্মাণের দাবিতে দীর্ঘদিন আন্দোলন করে আসছে স্থানীয়রা। এর অংশ হিসেবে শনিবার, ঝুকিপূর্ণ সেতুর পাশে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে বোয়ালখালী মুক্তিযোদ্ধা সংসদ। এতে অংশ নেন বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ।

এদিকে বার বার একনেকে ওঠার পরও সেতুটি অনুমোদন না হওয়ায় ক্ষোভ জানান সেতু বাস্তবায়ন কমিটি।

বোয়ালখালী উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার মো. হারুন মিয়া বলেন, আমরা মুক্তিযোদ্ধারা প্রধানমন্ত্রীর কাছে কিছু চাই না, জরুরী ভিত্তিতে কালুরঘাট সেতু যাতে নির্মিত হয়।

কালুরঘাট ২য় সেতুবাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক মো. আবদুল মুবিন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সদিচ্ছা থাকার পরেও কেন এই সেতু নির্মাণ দীর্ঘায়িত হচ্ছে সেটা আমাদের কাছে একটা প্রশ্নবোধক চিহ্ন।

১৯৩০ সালে ব্রিটিশ সরকার চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর ওপর কালুরঘাট সেতু নির্মাণ করে। যার মেয়াদ শেষ হয়েছে ২০০০ সালে।



মন্তব্য চালু নেই