শিরোনাম:

বেনগাজীর দ্বিতীয় চাটার্ড ফ্লাইটে ১৬০ জন

যুদ্ধবিধ্বস্ত লিবিয়া থেকে দফায় দফায় ফিরছেন প্রবাসীরা

আফ্রিকা মহাদেশ যুদ্ধবিধস্ত লিবিয়া থেকে অসুস্থসহ নানা সংকটে পড়ে দফায় দফায় দেশে ফিরছে অসহায় প্রবাসী কর্মীরা।যার অন্যতম দীর্ঘ করোনা মহামারির কারণে কাজের পরিসর হ্রাস ও অর্থনৈতিক বাজার মন্দা এবং বেকার প্রবাসী কর্মীরা দেশে ফিরতে বাধ্য হচ্ছে।

জানা গেছে,২৭ শে অক্টোবর মঙ্গলবার দুপুর দুইটার দিকে লিবিয়ার পূর্বাঞ্চল বেনগাজি বেনিনা এয়ারপোর্ট থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ১৬০ জন যাত্রী নিয়ে একটি বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনা করবে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (IOM)।

এর আগে স্বাস্থ্য পরীক্ষাসহ সকল কার্যক্রম শেষে সোমবার ২৬ শে অক্টোবর সকাল ৬ঃ০০ ঘটিকার সময় আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (IOM) এর মাধ্যমে দেশে ফিরতি সকল যাত্রীদেরকে বেনগাজীস্থ লিবিয়ান রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির অফিস(তোয়ারগা ক্যাম্প)এ উপস্থিত হওয়ার পর বুকিং লাগেজ ও হ্যান্ড লাগেজ জমা দেওয়ার কথা বলা হয় এবং তা পরবর্তীতে সংগ্রহ করেন যাত্রীরা।এছাড়া,করোনা সতর্কতায় মাস্ক,হ্যান্ড গ্লাভস এবং কিছু সুকনা খাবার নিয়ে উপস্থিত থাকার জন্যেও কতৃপক্ষ থেকে বিশেষ ভাবে বলা হয় ফিরতি প্রবাসীদের।

জানা যায়, এর আগেও লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপলী থেকে অসহায় প্রবাসীদের দেশে ফিরতে বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনা করে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (IOM)।

এছাড়াও,অসুস্থসহ বিপুল সংখ্যক অসহায় প্রবাসী দেশে ফেরার অপেক্ষায় রয়েছে বলেও জানা গেছে।আর এসব অসহায় প্রবাসীদের পাশে সিনিয়র প্রবাসী ইন্জিঃ মোঃ শাহাদাত হোসেনসহ লিবিয়ার পূর্বাঞ্চল বেনগাজীস্থ বাংলাদেশ ওয়েলফেয়ার সোসাইটির উদ্যোক্তা ও উপদেষ্টা মোহাম্মদ জাহের এবং অন্যান্য সদস্যগন আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (IOM) র প্রতিনিধিত্বে এ প্রবাস সেবামূলক কাজকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে বলে জানান সোসাইটির উদ্যোক্তা ও উপদেষ্টা(সিনিয়র প্রবাসী সেবক)মোহাম্মদ জাহের আলম।

দীর্ঘদিন ধরে সোসাইটির উদ্যোক্তা ও উপদেষ্টা মোহাম্মদ জাহের আলম ও ইন্জিঃ মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন ও অন্যান্য সদস্যদের অক্লান্ত পরিশ্রম এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা( IOM ) এর বিশেষ সহযোগিতায় ওই দ্বিতীয় চাটার্ড ফ্লাইটসহ পরবর্তী কালে আরো অসহায় প্রবাসীদের দেশে ফিরতে কাজ করে যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।

এদিকে, ফিরতি প্রবাসী সুত্র বলছে,নানা সংকটে এসব প্রবাসী কর্মীদের খালি হাতে দেশে ফিরতে হচ্ছে।পরিবারের মুখে হাসি ফুটাতে চড়া সুদে ঋণ নিয়ে এবং ভিটেমাটি বিক্রি করে বিদেশ (যুদ্ধবিধস্ত লিবিয়ায়) অভিবাসনের ব্যয়ের টাকাও তুলতে পারেনি এদের অনেকেই। অনেকেই দালালদের ধোকায় বাধ্য হয়ে লিবিয়ায় প্রবাস জীবনে পড়েন এবং চাকরি হারানোসহ নানা সংকটে থেকে দেশে ফিরতি এসব কর্মীর অভিভাবকদের কেউ কেউ ঋণের টাকা পরিশোধ করতে না পেরে বাড়ি ঘর ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে বলেও জানান অনেকেই।ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে কেউ কেউ অসুস্থতার কারণে দেশে চলে যাচ্ছেন আর এসব অসহায় কর্মীরা নিজ কর্মসংস্থান খুলতে যেনো কোনো প্রকার হয়রানি ছাড়াই দ্রুত ঋণ পেতে পারে সে জন্য প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রীর আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন ফিরতি বিপুল সংখ্যক প্রবাসীরা।



মন্তব্য চালু নেই