মেইন ম্যেনু

যুবলীগের এক ডজন নেতাকে খুঁজছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

ক্যাসিনো ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত কমপক্ষে এক ডজন যুবলীগ নেতাকে খুঁজছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এসব নেতা হঠাৎ ফুলেফেঁপে আঙুল ফুলে কলাগাছ হয়েছেন।

সূত্র জানায়, কেন্দ্রীয় সমবায়বিষয়ক সম্পাদক জি কে শামীম ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক (বহিষ্কৃত) খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়াকে গ্রেফতারের পর চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসতে শুরু করেছে। সেই তথ্যের ভিত্তিতে এখন খোঁজা হচ্ছে ব্রাদার্স ক্লাবের সভাপতি যুবলীগের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন মহি, দফতর সম্পাদক আনিসুর রহমান আনিস, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রেজা, সাংগঠনিক সম্পাদক গাজী সরোয়ার হোসেন বাবু, সহসভাপতি আনোয়ারুল ইকবাল সান্টুসহ এক ডজন নেতাকে।

সূত্র আরও জানায়, মহিউদ্দিন মহির বিরুদ্ধে গণপূর্ত, বিদ্যুৎ ভবন, শিক্ষা ভবন, খাদ্য ভবনসহ বিভিন্ন এলাকায় টেন্ডার নিয়ন্ত্রণের তথ্য উঠে এসেছে। এছাড়া রেজা যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হওয়ার পর জিরো থেকে হিরো হয়েছেন। ঢাকায় একাধিক বাড়ি, ফ্ল্যাটের মালিক তিনি। তার আছে ঢাকা-বরিশাল রুটে আলিশান লঞ্চ। লঞ্চের নাম রয়েল ক্রুজ-২। অভিযোগ রয়েছে, অবৈধভাবে কয়েকশ’ কোটি টাকা বানিয়ে আরও একাধিক লঞ্চের মালিক তিনি।

গাজী সরোয়ার বাবু যুবলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক। তিনি ন্যাশনাল মেডিকেল হাসপাতালের পরিচালক এবং হাসপাতালের ক্রয় কমিটির চেয়ারম্যান। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ- হাসপাতালে একটি ডিম ১৪০ টাকা ও কলা ১৭০ টাকা নেয়া হয়। চার বছর ধরে তিনি রোগীদের জিম্মি করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। সদরঘাটের গেটওয়াল মার্কেটের সভাপতিও গাজী সরোয়ার হোসেন বাবু। ব্যবসায়ীদের ভয়ভীতি দেখিয়ে ৪০টি দোকান দখলে নেয়ার অভিযোগ আছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া সিটি কর্পোরেশন, ওয়াসা, রাজউকসহ বিভিন্ন ভবনের ঠিকাদারি তার নিয়ন্ত্রণে।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সহসভাপতি আনোয়ার ইকবাল সান্টুকেও খোঁজা হচ্ছে। বিভিন্ন সংস্থার লোকজন তার বিত্তবৈভবের অনুসন্ধানে নেমেছেন। তার বিরুদ্ধে সিটি কর্পোরেশন, গণপূর্ত, ওয়াসা, রাজউক, শিক্ষা ও বিদ্যুৎ ভবনের ঠিকাদারি নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ রয়েছে। জি কে শামীম ও তার একটা সিন্ডিকেট রয়েছে। এসব ভবনে ঠিকাদারি করে কয়েক বছরেই কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছেন সান্টু। তার মূল শক্তি যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শাহজাহান ভুঁইয়া বলে জানা গেছে।

খোঁজা হচ্ছে ২০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ফরিদ উদ্দিন রতনকে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ- প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নাম ভাঙিয়ে বিদ্যুৎ ভবনে বড় বড় কাজ ভাগিয়ে নিয়েছেন তিনি। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকনের কাছের লোক হিসেবে পরিচিত এই রতন সিটি কর্পোরেশনের কাজও নিয়ন্ত্রণ করে থাকেন।



মন্তব্য চালু নেই