মেইন ম্যেনু

রূপার বোনকে চাকরির আশ্বাস দিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

বগুড়া থেকে ময়মনসিংহ যাওয়ার পথে চলন্ত বাসে গণধর্ষণের পর হত্যার শিকার রূপার বোন পপিকে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। শুক্রবার রূপার গ্রামের বাড়ি সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার আসানবাড়িতে গ্রামবাসীর পক্ষ থেকে আয়োজিত এক শোকসভায় তিনি এ আশ্বাস দেন।

নাসিম বলেন, গ্রেপ্তার করা অপরাধীদের দেশের আইনানুযায়ী এমন বিচার করা হবে, যেন এই দেশে আর কোনো মেয়ের প্রাণ অকালে ঝরে না যায়। তিনি এ রকম একটি জঘন্য হত্যা মামলার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের পক্ষে কোনো আইনজীবীকে না দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের এই বিষয়ে লেখালেখি অব্যাহত রাখার জন্যও বলেন।

মোহাম্মদ নাসিম সভা চলাকালে আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বলে মামলাটি দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করা হবে বলেও ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, ‘রূপা নেই, তাঁর বোন পপি আছেন। তাঁরা দুজন কষ্ট করে লেখাপড়া করেছেন। পপিকে তাঁর যোগ্যতানুযায়ী চাকরি দেওয়া হবে। ঈদের পরই তিনি নতুন চাকরিতে যোগদান করবেন।’

সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসক কামরুন নাহার সিদ্দীকার সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন স্থানীয় সাংসদ ম ম আমজাদ হোসেন, পুলিশ সুপার মিরাজ উদ্দীন আহম্মেদ, তাড়াশ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আব্দুল হক। উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের সদস্য মোফাজ্জল হোসেন, হোসনেয়ারা পারভিন, বারুহাস ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মোক্তার হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মাদ হান্নান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সঞ্জিত কর্মকার, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহিনুর ইসলাম লাবু প্রমুখ।

সমাবেশের আগে স্বাস্থ্যমন্ত্রী নিহত রূপার পরিবারের খোঁজখবর নিয়ে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেন। তিনি রূপার মা হাছনাহেনা বানুর হাতে ১ লাখ টাকার চেক তুলে দেন। এ সময় সাংসদ ৫০ হাজার টাকা, জেলা প্রশাসক ২৫ হাজার টাকা, তাড়াশ উপজেলা পরিষদ ১০ হাজার টাকা অনুদান দেওয়ার ঘোষণা দেয়।



মন্তব্য চালু নেই