মেইন ম্যেনু

শরীর দেখার নেশায় মেয়েদের পোশাকে ব্লেড চালাত যুবক

মেয়েদের শরীর ও রক্ত দেখে পৈশাচিক আনন্দ পেত এক বিকৃতকাম যুবক। তাই তাদের পোশাক ব্লেড দিয়ে চিরে দিয়ে শরীর আর রক্ত দেখার জন্য লোলুপ দৃষ্টিতে চেয়ে থাকত সে। সেই বিকৃতকাম যুবকের লালসার শিকার শ্রীরামপুরের দুই যুবতী।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সংবাদ প্রতিদিনের এক খবরে বলা হয়, গতকাল শুক্রবার পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার শ্রীরামপুর স্টেশনে যাত্রীর ভিড়ে বিকৃতকাম ওই যুবক দুই যুবতীর লেগিংসে ব্লেড চালিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। যুবতীদের চিৎকারে শ্রীরামপুর স্টেশনে কর্মরত রেল পুলিশ ধাওয়া করে ওই যুবককে ধরে ফেলে।

পরে রেল পুলিশের জেরায় ওই যুবক নিজের বিকৃতকামের কথা স্বীকার করে নেয়। শেওড়াফুলি জিআরপি ওই যুবককে আটক করেছে।

রেল পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, যুবকের নাম সমীর জানা। বাড়ি হুগলির চুঁচুড়ায়। পুলিশি জেরায় সমীর জানিয়েছে, এর আগেও এই ধরনের বিকৃত কামনার বশবর্তী হয়ে ভিড়ের মাঝে মেয়েদের অসতর্ক মুহূর্তে ব্লেড দিয়ে আক্রমণ চালিয়েছে সে। বিশেষত, মেয়েদের লেগিংসের উপর ব্লেড চালাত সমীর। ব্লেডের আঘাতে অনেক সময়ই লেগিংস ছিঁড়ে গিয়ে রক্তপাত হয়। মেয়েরা লজ্জায় সে কথা কাউকে বলতে পারতো না। আর নারীর শরীরের রক্ত দেখে উল্লাসে ফেটে পড়ে সমীর।

এ বিষয়ে এক মনোরোগ বিশেষজ্ঞ মোহিত বলেন, ‘ওই যুবকের এই ধরনের আচরণের মধ্যে অবসেশনের একটা উপাদান আছে। এটা এক ধরনের বাতিক হতে পারে। এই ধরনের বাতিকগ্রস্তরা যে কোনো কাজ বার বার করতে চায়। অনেক সময় এই ধরনের কাজ করতে না চাইলেও, ইচ্ছার বিরুদ্ধে এই আচরণ করে বসে তারা। ওই যুবক যে নেহাতই মজা বা আনন্দ করার জন্যই মেয়েদের পোশাকে ব্লেড চালিয়ে রক্তাক্ত করছে, তা নাও হতে পারে। যুবকের দীর্ঘ সাইকো-অ্যানালাইসিসের পরই এই ধরনের আচরণের প্রকৃত কারণ জানা যাবে।’

এটাকে এক ধরনের মানসিক অসুস্থতা বলেও মনে করেন ওই চিকিৎসক।



মন্তব্য চালু নেই