মেইন ম্যেনু

শীতের শুরুতেই কক্সবাজারে বাড়ছে পর্যটকের আনাগোনা

পর্যটন শহর কক্সবাজারে শীতের শুরুতেই বাড়ছে পর্যটকের আনাগোনা। বিশেষ করে সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলোতে সাগর তীরে পর্যটকের উপচে পড়া ভিড় লক্ষণীয়। এতে ব্যবসায় চাঙাভাব ফিরবে বলে আশা করছেন ব্যবসায়ীরা। আর পর্যটকদের ভ্রমণে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে টুরিস্ট পুলিশ।

বিশাল সাগর, হিমেল হাওয়া আর নীল জলরাশি। যার দেখা মিলবে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারে। কিছুদিন ধরে অনুভব হচ্ছে হাল্কা শীত।

তাই শীত শুরুর সাথে সাথে সাগর তীর ভিড় করতে শুরু করেছেন পর্যটকরা। বিশেষ করে সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্র এবং শনিবার বাড়ছে পর্যটকের আনাগোনা। আর সাগরের নীল জলরাশি উচ্ছ্বাসে মেতে উঠছেন ভ্রমণ পিপাসুরা।

কক্সবাজারে আসা দর্শনার্থীরা জানান, এখানে এসে আমাদের খু্বই ভাল লাগছে। যেহেতু সপ্তাহিক ও পূজার ছুটি রয়েছে সেজন্যই ঘুরতে আসা।

অন্য আরেকজন জানান, আবহাওয়া ভাল রয়েছে। আর সী ওয়াটার তো সব সময়ই গরম, আরামদায়ক।

এ অবস্থায় পর্যটন স্পটগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করার আহবান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। পাশাপাশি বেচাকেনায় চাঙাভাব ফিরবে আশা করছেন ব্যবসায়ীরা।

ব্যবসায়ীরা জানান, আমরা অনেক সাড়া পাচ্ছি। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ও সরাসরি অনেক বুকিং আসতেছে। এছাড়াও সপ্তাহিক ছুটিতে প্রচুর পর্যটক আসে।

এদিকে টুরিস্ট পুলিশের কর্মকর্তা জানান, পর্যটন স্পটগুলোতে ভ্রমণ পিপাসুরা যাতে স্বাচ্ছন্দ্যে ঘোরাফেরা করতে পারে সেজন্য সব ধরণের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

কক্সবাজারের টুরিস্ট পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান সিদ্দিকী বলেন, ২৪ ঘণ্টা আমাদের পর্যটন পুলিশের নজরদারি রয়েছে। সেই সাথে সব পর্যটকদের নিরাপত্তা দিতে প্রস্তুত রয়েছে। লাবণী, কলাতলি, সুগন্ধা ও ইনানিতে দিনে ও রাতে পুলিশ থাকে।

হোটেল মালিকদের দেয়া তথ্য মতে, প্রতিবছর শীতের মৌসুমে ১৫ লাখের বেশি পর্যটক কক্সবাজারে ঘুরতে আসেন।



মন্তব্য চালু নেই