মেইন ম্যেনু

সব আদালতের এজলাসে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি টানানো শুরু

দুই মাসের মধ্যে সারা দেশের প্রতিটি আদালতকক্ষ/এজলাসে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি সংরক্ষণ ও প্রদর্শনে হাইকোর্টের নির্দেশ বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এ জন্য দেশের অধস্তন আদালতের সব এজলাস/আদালতকক্ষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যে নোটিশ জারি করেছে।

এর আগে গত ২৯ আগস্ট সংশ্লিষ্ট এক রিটের শুনানি নিয়ে দেশের সব আদালতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি (ছবি) সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।

বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেন। এ আদেশের পর গত ২৩ সেপ্টেম্বর আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ থেকে একটি নোটিশ জারি করা হয়েছে।

সিনিয়র সহকারী সচিব (প্রশাসন) তৈয়বুল হাসান স্বাক্ষরিত ওই নোটিশে বলা হয়, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সুবীর নন্দী দাসের রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৯ আগস্ট বিচারপতি এফআরএম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কেএম কামরুল কাদেরের বেঞ্চ দেশের সব আদালতের এজলাস/কোর্টরুমে আগামী দুই মাসের মধ্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি টাঙানো ও সংরক্ষণের নির্দেশনা দিয়েছেন।

এদিকে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের স্পেশাল অফিসার মোহাম্মদ সাইফুর রহমান এ বিষয়ে বলেন, পরিকল্পনা সম্পন্ন হয়েছে। এ আদেশ বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ২১ আগস্ট হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ রিটটি দায়ের করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সুবীর নন্দী দাস। ওই রিটে আইন মন্ত্রণালয় সচিব, গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সচিব, অর্থ মন্ত্রণালয় সচিব, সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্টার জেনারেল ও হাইকোর্ট বিভাগের রেজিস্ট্রারকে বিবাদী করা হয়।

পরে রিটকারী জানান, দেশের প্রতিটি সরকারি, আধা-সরকারি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুর ছবি টানানোর সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তাই এ সংশ্লিষ্ট সংবিধানের ৪(ক) অনুচ্ছেদের বাস্তবায়নের নির্দেশনা চেয়ে রিট দায়ের করেছি। ওই রিটের শুনানিতে ভারত, আমেরিকাসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের আদালতে সেসব দেশের জাতির জনক বা জাতীয় বীরদের ছবি টানানোর নজিরও আদালতে উপস্থাপন করা হয় বলে তিনি জানান।

এরপর রিটটির আদেশে দুই মাসের মধ্যে দেশের সব আদালত/এজলাসে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। এছাড়া দুই মাস পরে আদেশটি বাস্তবায়নের প্রতিবেদন দিতে বিবাদীদের নির্দেশ দেন আদালত।



মন্তব্য চালু নেই