সোনার দাম নিয়ে যা হলো

কোভিড-১৯ প্রতিরোধে ফাইজার এবং বায়োএনটেক কোম্পানির ভ্যাকসিন ৯০ শতাংশ সফল হয়েছে এমন খবরে আন্তর্জাতিক বাজারে গত সপ্তাহে সোনার দামে বড় ধরনের দরপতন ঘটে। একদিনেই আউন্স প্রতি সোনার দাম ৯৪ ডলার কমে যায়।

ফলে এর আগে আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম বাড়ার কারণে দেশের বাজারেও বৃদ্ধির যে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে তা স্থগিত করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম বাড়ার কমার ওপর নির্ভর করে দেশের বাজারেও দাম বাড়ানো কমানো হয়ে থাকে। যখন আন্তর্জাতিক বাজারে বেড়েছিল তখন দেশের বাজারেও বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। কিন্তু তাৎক্ষণাত দরপতন হওয়ায় তা স্থগিত করা হল।

আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, গতমাসের শেষ সপ্তাহে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স ছিল ১৯শ’ ডলার। দাম বৃদ্ধি পেয়ে তা সাড়ে ১৯শ’ ডলারের বেশিতে পৌঁছায়। কিন্তু এক সপ্তাহ না যেতেই এ দর অন্তত ৮০ ডলার কমে যায়। চলতি বছরের ১১ আগস্টের পর এটি একদিনে সোনার সর্বোচ্চ দরপতন। ১১ আগস্ট আন্তর্জাতিক বাজারে একদিনে প্রতি আউন্স সোনার দাম ১১২ ডলার পর্যন্ত পতন হয়।

বাংলাদেশে সবশেষ গত ১৫ অক্টোবর সোনার দাম সমন্বয় করা হয়। বিশ্ববাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে সে সময় ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম ২ হাজার ৩৩৩ টাকা বা‌ড়ি‌য়ে নির্ধারণ করা হয় ৭৬ হাজার ৩৪১ টাকা। ২১ ক্যারেটের সোনা ৭৩ হাজার ১৯২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের সোনা ৬৪ হাজার ৪৪৪ ও সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনা ৫৪ হাজার ১২১ টাকা নির্ধারণ করা হ‌য়।



মন্তব্য চালু নেই