মেইন ম্যেনু

সৌদিতে যেসব আকর্ষণীয় স্থানে ভ্রমণ করতে পারবেন পর্যটকরা

অবশেষে বিদেশি পর্যটকদের জন্য দুয়ার খুললো সৌদি আরব। আজ থেকেই দেশটিতে ভ্রমণের জন্য অনলাইন ট্যুরিস্ট ভিসার আবেদন করতে পারবেন ৪৯ দেশের নাগরিকরা। এই প্রথম, পর্যটক ভিসা চালু করলো মধ্যপ্রাচ্যের বৃহত্তম দেশ সৌদি আরব। কেবল ভিসা চালু নয়, পর্যটক আকৃষ্ট করতে নারীদের ড্রেসকোড শিথিল করাসহ নানা উদ্যোগ নিয়েছে প্রশাসন। ঐতিহাসিক এ পদক্ষেপে সৌদি অর্থনীতির চিত্র বদলে যাবে বলে দাবি রিয়াদের।

মাদাইন সালেহ- জর্দানের পেত্রা নগরীর সভ্যতার সাথে এর যেন আশ্চর্য মিল। আত-তুরাইফ, মক্কা গেইট, হেইল অঞ্চলের শিলালিপিসহ এমন কতো রহস্য লুকিয়ে আছে সৌদি আরবের বিস্তীর্ণ মরুভূমিতে।

ভ্রমনপিপাসুদের কাছে দৃষ্টিনন্দন এসব প্রাচীন শৈলী এতো দিন ছিলো, একেবারেই অচেনা । শনিবার থেকে পর্যটকদের জন্য খুলে দেয়া হয়েছে প্রবেশ দুয়ার। অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন বিশ্বের ৪৯ দেশের নাগরিক।

আপতত যেসব আকর্ষণীয় স্থান ঘুরে দেখার সুযোগ পাবেন পর্যটকরা সেগুলোর মধ্যে রয়েছে- মক্কা গেইট।

মক্কা গেইট ইউনেস্কোর একটি ঐতিহ্যবাহী সাইট। ৭০০ খ্রিষ্টাব্দে এইখানে নৌবন্দর স্থাপন করা হয়, যেখানে এসে হাজিরা সৌদি আরবের বাইরে থেকে এসে ভিড়তেন।

উমলুজ। এটিকে বলা হয় সৌদি মালদ্বীপ। বালুময় সমুদ্র সৈকত। আকাশ থাকে সব সময় রঙ্গিন।

এছাড়া আরেকি স্থান হল কিং ফাহদ ঝর্ণা। জেদ্দায় অবস্থিত এই কৃত্রিম ঝর্ণাটি পৃথিবীর সর্বোচ্চ ঝর্ণা। রাতের বেলা এটির আশপাশের পরিবেশ ৫০০ বৈদ্যুতিক বাতির আলোয় এক স্বর্গীয় রূপ লাভ করে।

মাসমাক দুর্গ- এটি রিয়াদে অবস্থিত। ১৮৬৫ সালে নির্মিত দূর্গটি ১৯০২ সালে আব্দুল আজিজ বিন আব্দুল রহমান বিন ফয়সাল আল সাউদ দখল করে আশপাশের রাজ্যগুলো জয় করেন এবং শেষ পর্যন্ত সৌদি আরবের জন্ম দেন।

আল ওয়াহব আগ্নেয়গিরি: তায়েফ থেকে আড়াইশো কিলোমিটার দূরে মরুভূমিতে অবস্থিত একটা মরা আগ্নেয়গিরির নাম আল ওয়াহব।



মন্তব্য চালু নেই