প্রধান ম্যেনু

স্বামীর সামনেই নববধূকে উত্ত্যক্ত, ৩ ছাত্রলীগ কর্মী গ্রেপ্তার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় নববধূকে উত্ত্যক্ত করার অভিযোগে তিন ছাত্রলীগ কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার দুপুরে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, কসবা পৌর এলাকার তালতলা গ্রামের মো. জলিল মিয়ার ছেলে জান্নাতুল মিয়া (২৩), মড়াপুকুরপাড় গ্রামের মো. বাবুল মিয়ার ছেলে শরীফ মিয়া (২৫) ও কাঞ্চনমূড়ি গ্রামের মো. দুলাল মিয়ার ছেলে সাব্বির হোসেন (২৪)।

জানা যায়, কসবা পৌর এলাকার ফুলতলী গ্রামের আবুল খায়েরের মেয়ে রাহিমা আক্তারের সঙ্গে আখাউড়া উপজেলার মীরপুর গ্রামের খুরশিদ মিয়ার ছেলে মো. মহসিন মিয়ার গত শনিবার বিয়ে হয়। বিয়ের পর গত মঙ্গলবার বাবার বাড়িতে স্বামীসহ বেড়াতে আসেন ওই নববধূ।

গতকাল সকালে নববধূ তার স্বামীকে নিয়ে পৌর শহরে কেনাকাটা করতে গেলে আটককৃতরা তাকে উত্ত্যক্ত করতে থাকে এবং একপর্যায়ে আক্রমণ করতে যায়। নববধূ ও তার স্বামী কেনাকাটা না করে উত্ত্যক্তকারীদের এড়াতে বাড়ি চলে যান। এ সময় ওই তিন ছাত্রলীগ কর্মী বাড়িতে গিয়েও গালাগালি করতে থাকে এবং ওই নববধূর স্বামীকে হত্যা করার হুমকি দেন।

পরে নববধূর বাবা মো. আবুল খায়ের ঘটনার প্রতিকার চেয়ে কসবা থানায় ফোন দেন। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লোকমান হোসেন এ বিষয়ে অভিযোগ দায়ের করার কথা বললে আবুল খায়ের তাৎক্ষণিক থানায় অভিযোগ করেন। পরে পুলিশ তাদেরকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়।

ওসি মোহাম্মদ লোকমান হোসেন গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ‘নববধূকে উত্ত্যক্ত করার অভিযোগে তিন ছাত্রলীগ কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

গ্রেপ্তারকৃত জান্নাতুলের বিরুদ্ধে এর আগেও উত্ত্যক্ত করার অভিযোগ রয়েছে বলে জানান ওসি।

ওই তিনজন ছাত্রলীগের কর্মী স্বীকার করে উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক স্বীকার করেন যে কাজী মানিক বলেন, ‘গ্রেপ্তারকৃতরা ছাত্রলীগের কোনো পদে নেই।’

কসবা সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান ভূঞা বলেন, ‘গ্রেপ্তারকৃতদেরকে কোনো ভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।’



মন্তব্য চালু নেই