মেইন ম্যেনু

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বাসায় ঢুকতে না দেয়া দুঃখজনক : মেয়র আতিক

এডিস মশার লার্ভা নিধনে অভিযানে যাওয়া ঢাকা উত্তর সিটির ভ্রাম্যমাণ আদালতকে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বাসায় ঢুকতে না দেওয়ায় সমালোচনা করেছেন মেয়র আতিকুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, ‘মশক নিধন কার্যক্রমে আমরা আশা করব সবাই আমাদের পাশে থেকে সহযোগিতা করবেন। কিন্তু গতকাল স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বাসায় মশক নিধন টিমের ঢুকতে না পারা অত্যন্ত দুঃখজনক।’

বুধবার দুপুরে রাজধানীর গাবতলী বাস টার্মিনাল পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন মেয়র আতিকুল।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মীর নাহিদ আহসানের নেতৃত্বে গতকাল বারিধারা এলাকায় এডিস মশার লার্ভা নিধনে ও সচেতনতা বৃদ্ধিতে অভিযানে নামে ডিএনসিসির ভ্রাম্যমাণ আদালত।

অভিযানের শুরুতে পার্ক রোডে তিনটি বাড়ি পরিদর্শনের পর স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের বাড়িতে ঢুকতে চান ভ্রাম্যমাণ আদালত। কিন্তু তাদের প্রবেশ করতে বাধা দেওয়া হয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয় দিলেও প্রবেশে বাধা দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা ফারুক আহমেদ। প্রায় ১০ মিনিট অপেক্ষার পর সেখান থেকে চলে যান মশক নিধনে যাওয়া কর্মকর্তারা।

ঢাকা উত্তরের মেয়র বলেন, ‘মন্ত্রীর বাসায় মশক নিধন কর্মীদের ঢুকতে না দেয়ার বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। আমরা তো আবাসিক বাড়িগুলোতে প্রথমবার গিয়েই ফাইন করছি না। নির্মাণাধীন ভবনে বা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেলে জরিমানা করছি। আমি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে গতকাল যোগাযোগের চেষ্টা করেছি, আজও করেছি। কিন্তু তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

সবাই সচেতন হলে ডেঙ্গু পরিস্থিতি অনেকটা কমে আসবে মন্তব্য করে আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় আমরা সবাই সচেতন না হলে এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ কঠিন। ডিএনসিসির সব ওয়ার্ডেই আমাদের চিরুনি অভিযান চলছে, যা অব্যাহত থাকবে। এখন শুধু দরকার সচেতনতা, তাহলেই ডেঙ্গু পরিস্থিতি অনেকাংশেই কমে আসবে।’

ঢাকা উত্তরের মেয়র বলেন, ‘অবৈধ দোকান ও হোটেলের কারণে গাবতলী বাসস্ট্যান্ডের পেছনের দিকে ময়লা-আবর্জনার স্তুপ সৃষ্টি হচ্ছে। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, গাবতলী বাসস্ট্যান্ডের ভেতরে কোনো অবৈধ দোকান-হোটেল থাকবে না।’

তিনি বলেন, ‘এ ময়লা স্থানীয় খাবার হোটেল ও দোকানের ময়লা। বাসস্ট্যান্ডের ভেতরে অবৈধ দোকানের বর্জ্য এখানে ফেলে পরিবেশ নষ্ট করা হচ্ছে। আমি নির্দেশ দিয়েছি, গাবতলী বাসস্ট্যান্ডের ভেতরে কোনো ধরনের অবৈধ দোকান থাকবে না। আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের বলা হয়েছে তারা যেন খুব শিগগিরই এ ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে তারা কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।’



মন্তব্য চালু নেই