প্রধান ম্যেনু

সংসদে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

‘২০৩১ সালে গ্যাসের মজুদ শেষ হবে’

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, দেশের প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুত ২০৩১ সালে শেষ হবে। সে হিসেবে আর ১১ বছর মজুদকৃত গ্যাস ব্যবহার করা যাবে।

সোমবার (২০ জানুয়ারি) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ তথ্য জানান।

ব্রাহ্মণাড়িয়া-৫ আসনের সংসদ সদস্য এবাদুল করিমের প্রশ্নের জবাবে জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, দেশে বর্তমানে ১০ দশমিক ৬৩ ট্রিলিয়ন ঘনফুট উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের মজুত রয়েছে। বর্তমানে দৈনিক দুই হাজার ৫৭০ মিলিয়ন ঘনফুট হারে গ্যাস উৎপাদন হচ্ছে। এ হারে উৎপাদন অব্যাহত থাকলে মজুদ গ্যাস আর ১১ বছর ব্যবহার করা যাবে। প্রতিমন্ত্রীর হিসাব মতে, ২০৩১ সালে মজুত গ্যাস শেষ হয়ে যাবে।

চট্টগ্রাম-১ আসনের সংসদ সদস্য এম আবদুল লতিফের প্রশ্নের জবাবে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে কোথাও বিদ্যুৎ ঘাটতি দেখা যাচ্ছে না। চাহিদার তুলনায় উৎপাদন এখন অনেক বেশি। তবে, সঞ্চালন ও বিতরণ নেটওয়ার্কের সীমাবদ্ধতার কারণে মাঝে মধ্যে বিদ্যুৎ বিভ্রাট ঘটে। বিদ্যুৎ বিভ্রাট, লো-ভোল্টেজ, উৎপাদনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে গ্রাহক সংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে বিদ্যুৎ উৎপাদন, বিতরণ ও সঞ্চালন প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। পিক-অফপিক আওয়ার বিদ্যুতের লোডের তারতম্য কমানোর বিষয়ে কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এসব কার্যক্রম বাস্তবায়ন হলে বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও ভোল্টেজ তারতম্যজনিত সমস্যা দূর করা সম্ভব হবে।

ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারীর প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সরকারিভাবে ১২ দশমিক ৫ কেজি এলপিজির দাম ৭০০ টাকা। বেসরকারি খাতে বটলিংকৃত প্রতিটি ১২ কেজির সিলিন্ডার খুচরা পর্যায়ে ৯৫০ থেকে ১০০০ টাকা বিক্রির তথ্য পাওয়া গেছে। বগুড়া-৬ আসনের গোলাম মোহাম্মদ সিরাজের প্রশ্নের জবাবে নসরুল হামিদ জানান, আমদানিকৃত এলএনজিসহ বর্তমানে দেশে দৈনিক তিন হাজার ১৬০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ হচ্ছে।

এছাড়া এম আবদুল লতিফের করা এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ বিভাগে মোট আট হাজার ৩১৮টি শুন্য পদ রয়েছে। লক্ষ্মীপুর-৪ আসনের এমপি আব্দুল মান্নানের প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, দেশে প্রায় ৩৮ লাখ এলপিজির গ্রাহক রয়েছে।



মন্তব্য চালু নেই