মেইন ম্যেনু

৩০০ রিয়ালে হজ ও ভিজিট ভিসা দিবে সৌদি আরব

প্রিয়নবীর জন্মভূমি মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরব সরকারের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণ ফোরাম শুরা কাউন্সিল বা মন্ত্রী সভাতে ৩০০ রিয়াল ফিতে হজ , ওমরাহ ও ভিজিট ভিসা প্রদানের নীতি চূড়ান্ত অনুমোদন পেয়েছে। নতুন এ ভিসা নীতিতে গত বুধবার চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।

৩০০ রিয়াল ভিসা ফিতে যেসব সুবিধা থাকছে-

(১) প্রবাসী যারা সৌদি আরবে অবস্থান করছেন, তারা মাত্র ৩০০ রিয়াল ভিসা ফিতে নিজের পরিবারকে সৌদি আরব ভ্রমণ করাতে পারবেন । একের অধিক প্রিয়জনের জন্যও একই ফি প্রযোজ্য। যা পূর্বে প্রতিজনের জন্য মাথাপিছু ২ হাজার রিয়াল (প্রায় ৪৫ হাজার টাকা) ফি পরিশোধ করতে হতো ।

(২) প্রবাসীর আত্মীয়-পরিজন এই ভিসাতে অন্তত ৩ মাস সৌদি আরব অবস্থান করতে পারবেন ।

(৩) মাল্টিপল ভিসা অর্থাৎ পরিবারের একের অধিক সদস্য সৌদি আরব ভ্রমণ করে ৩ মাস পর ফিরে গেলেও পরবর্তী ৭ মাসের মধ্যে চাইলে আবার সৌদি আরব প্রবেশ করতে পারবেন একই ভিসাতে । অর্থাৎ মাল্টিপল ভিসার মেয়াদ ১ বছর পর্যন্ত থাকবে ।

(৪) ভিজিট ভিসাতে কারো সিঙ্গেল এন্ট্রি হলে ভিসার মেয়াদ ৩ মাস থাকবে। তবে সৌদি আরবে তিনি ১ মাসের বেশি অবস্থান করতে পারবেন না ।

(৫) ভিজিট ভিসাতে এসেও যে কেউ ওমরাহ করার সুবিধা পাবেন ।

(৬) হজ্ব ও ওমরাহ ভিসার ফিও ৩০০ রিয়াল নির্ধারিত করা হয়েছে । এতে করে হজ্ব ও ওমরাহ ফি বাংলাদেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের জন্য অনেকখানিই কমে আসবে ।

(৭) কোন দেশের এজেন্সি বেশি ফি নিচ্ছে কিনা সৌদি মনিটরিং সেল তা সরাসরি পর্যবেক্ষণ করবেন ।

(৮) কিছুদিন আগ পর্যন্তও সৌদি আরবে ওমরাহ হজ্বের উদ্দেশ্যে প্রবেশ করা হজ্বযাত্রীদের ভিসা করার তিনবছরের মধ্যে পুনরায় প্রবেশ করলে ২,০০০ রিয়াল পর্যন্ত ভিসা ফি দিতে হতো। কিন্তু, নতুন সিদ্ধান্তে এই আইন বাতিল করা হয়েছে। এতে করে এখন একবার ভিসা হবার পরে আগামী একবছরের জন্য ওমরাহ হজ্বযাত্রীদের সৌদি আরবে পুনরায় প্রবেশের জন্য কোন ভিসা ফি দিতে হবে না।

(৯) সৌদি আরব প্রবাসী আত্মীয় পরিজনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার জন্য অন্য দেশে গমনরত যে কোন ট্রানজিট প্যাসেঞ্জার ৩০০ রিয়াল ফিতে ‘ট্রানজিট ভিসা’ গ্রহণ করতে পারবেন । প্রিয়জনের সঙ্গে দেখা করার জন্য তিনি ৯৬ ঘন্টা পর্যন্ত সৌদি আরবে অবস্থান করতে পারবেন ।

সর্বোপরি, সারা বিশ্ব জুড়ে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা হজ্ব, ওমরাহ এবং ভিজিট ভিসার এই পুনঃমূল্য নির্ধারন সর্বস্তরের প্রবাসী এবং বিশেষজ্ঞদের কাছে দারুণ সমাদৃত হয়েছে । এতে করে, সারা বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর পক্ষে হজ্ব এবং ওমরাহ পালন করা, মদিনা ভ্রমণ করে রাসুল (সঃ) এর রওজা জিয়ারত যেমন সহজ হবে, তেমনি দূর প্রবাসে নিজের প্রিয়জনকে কাছে রাখার প্রবাসীর স্বপ্ন পূরণের দ্বারও অনেকখানি উন্মুক্ত হবে বলে প্রবাসীদের অভিমত।



মন্তব্য চালু নেই