মেইন ম্যেনু

৫৪ হাজার ডেঙ্গু রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন : স্বাস্থ্য অধিদফতর

ডেঙ্গু আক্রান্তদের মধ্যে ৫৪ হাজার ৯৫৬ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। এ দিকে গত ৫ দিন ধরে হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ওঠা-নামা করছে। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় (বৃহস্পতিবার সকাল ৮ থেকে শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ৪৪৬ জন।

এর পূর্বের ২৪ ঘণ্টায় (বুধবার সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা) ১ হাজার ৫৯৮ জন, এর পূর্বের ২৪ ঘণ্টায় এই সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৬২৬ এবং তার পূর্বের ২৪ ঘণ্টায় ছিল ১ হাজার ৫৭২ জন। অর্থাৎ ক্রমান্বয়ে রোগীর সংখ্যা কমছে সেটি বলা যাচ্ছে না।

শুক্রবার ঢাকাসহ সারা দেশের বিভিন্ন স্থানে ৩ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

যদিও চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২৩ আগস্ট পর্যন্ত সরকারি হিসাবে মৃতের সংখ্যা দেখানো হয়েছে ৪৭ জন। একই সময়ে ডেঙ্গুতে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬১ হাজার ৩৮ জন। তবে বেসরকারি হিসাবে মৃত্যু ও আক্রান্তের সংখ্যা আরও বেশি হবে বলে জানায় সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্র। স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের সহকারী পরিচালক আয়েশা আক্তার জানান, ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে এ পর্যন্ত ছাড়পত্র পেয়েছেন ৫৪ হাজার ৯৫৬ জন। বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৬ হাজার ৩৫ জন। এর মধ্যে ঢাকার সরকারি-বেসরকারি ৪১টি হাসপাতালে ৩ হাজার ৪১১ জন এবং অন্যান্য জেলায় ২ হাজার ৬২৪ জন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের রোগ নিয়ন্ত্রণ বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক ডা. সানিয়া তাহমিনা জানান, ঢাকা ও ঢাকার বাইরের ভর্তি রোগীদের ৯০ শতাংশই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। এ ছাড়া ২৪ ঘণ্টায় নতুন ভর্তি রোগীর সংখ্যাও বৃহস্পতিবারের তুলনায় ৯ শতাংশ কমেছে।

কন্ট্রোল রুমের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজধানীতে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সবচেয়ে বেশি রোগী ভর্তি হয়েছে ঢাকা মেডিকেল কলেজে ১০১ জন। মিটর্ফোডে ৭১ জন, মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৭০ জন, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ৫০ জন। বেসরকারি হাসপাতালের মধ্যে হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট হাসপাতালে ২০ জন এবং ইসলামী ব্যাংক সেন্ট্রাল হাসপাতালে ২১ জন। এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা বিভাগের ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৯১ জন, ময়মনসিংহে ২৩ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৯১ জন, খুলনায় ১৮০ জন, রাজশাহীতে ৫৪ জন, রংপুরে ২৬ জন, বরিশালে ১২৫ জন এবং সিলেটে ১৮ জন। এ সময়ে বান্দরবান ও ঝালকাঠি জেলায় নতুন কোনো ডেঙ্গু রোগীর তথ্য পাওয়া যায়নি।



মন্তব্য চালু নেই