বনানীর ছাত্রী ধর্ষণ: বনানী থানার ওসির বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি


বনানীতে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা নেয়া ও দুই তরুণীকে হয়রানিসহ সার্বিক বিষয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরমান আলীর ভূমিকা তদন্তে কমিটি গঠন করা হয়েছে। শুক্রবার (১২ মে) তিন সদস্যের এ কমিটি গঠন করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। এদিকে আলোচনা-সমালোচনার মুখে গত ৯ মে পারিবারিক কারণ দেখিয়ে পাঁচদিনের ছুটিতে গেছেন ওসি ফরমান আলী।
ধর্ষণের শিকার দুই তরুণীর একজন গণমাধ্যমকে বলেছিলেন, ধর্ষণের মামলা করতে গিয়ে মনে হচ্ছিল আরও কয়েকবার ধর্ষিত হচ্ছি। পুলিশ বারবার একই ঘটনা শুনতে চাইছিল। অথচ গুরুত্বও দিচ্ছিল না। এরপরে বললেন, আপনারা আজ চলে যান, আমরা তদন্ত করব, যদি দেখি ওরা অপরাধী তাহলে আমরা মামলা নেব।
পরদিন রাতে তাদের আবার ডাকা হলো মামলার কপি দেয়ার জন্য। যাওয়ার পরে পুলিশ তাদের আটকে দেন, থানায় থাকতে বলেন। বলা হলো, ছবি তুলতে হবে-এমন বর্ণনা দিয়ে ওই তরুণী বলেন- আমরা তো ব্যাপারটাতে ভয় পাই, ছবি তুলব, আবার কী হয় না হয়। আমরা বলেছি ছবি তুলব না। সেখানে কয়েকজন নারী পুলিশ ছিলেন, তারা আমাদের সঙ্গে রুঢ় হয়ে বলেন, এখনই ছবি তুলতে হবে।
শুক্রবার ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার (ক্রাইম) কৃষ্ণ পদ রায় জানান, বনানী থানার কর্তব্যে কোনো অবহেলা আছে কি না সেটি খুঁজতে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।
গঠিত কমিটিতে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনারকে (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন্স) প্রধান করা হয়েছে। এ ছাড়া বাকি দুজন হলেন, ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) যুগ্ম কমিশনার আব্দুল বাতেন ও ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার (ক্রাইম) কৃষ্ণ পদ রায়।

এই রকম সংবাদ আরো পেতে হলে এই লেখার উপরে ক্লিক করে আমাদের ফেসবুক ফ্যান পেইজে লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন। সংবাদটি সম্পর্কে মন্তব্য করতে হলে এই পেইজের নীচে মন্তব্য করার জন্য ঘর পাবেন