ভারতে যাওয়ার সময় সীমান্তে সাংবাদিক মোজাম্মেল বাবু, শ্যামল দত্তসহ চারজন আটক

ময়মনসিংহের ধোবাউড়া হয়ে অবৈধভাবে ভারত যাওয়ার সময় সাংবাদিক মোজাম্মেল হক বাবু ও শ্যামল দত্তসহ চারজনকে আটক করেছে জনতা।

সোমবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ভোর ৬টার দিকে দক্ষিণ মাইজপাড়া ও পোড়াকান্দুলিয়া সীমান্তের মাঝামাঝি এলাকায় একটি প্রাইভেটকারসহ চারজনকে আটক করে পুলিশে দেয় স্থানীয়রা।

আটককৃতরা হলেন- একাত্তর টেলিভিশনের সিইও মোজাম্মেল হক বাবু, দৈনিক ভোরের কাগজ পত্রিকার সম্পাদক ও জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সিনিয়র রিপোর্টার মাহবুবুর রহমান এবং প্রাইভেটকার চালক সেলিম।

ধোবাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. চাঁন মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, আটকৃতরা বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

তারা বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে হত্যা, গণহত্যা ও নির্যাতনে উসকানি দেওয়ার অভিযোগে তারাসহ মোট ৫৩ জনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩০ জন সাংবাদিক। আন্দোলনে নিহত রিয়ানের বাবা আব্দুর রাজ্জাক গত ২৯ আগস্ট আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থায় এ অভিযোগ দাখিল করেন।

একাত্তর টিভির সিনিয়র রিপোর্টার মাহাবুবুর রহমান বলেন, আমার বাড়ি ময়মনসিংহ সদরে। আমাকে আমার স্যার মোজাম্মেল হোসেন বাবু সীমান্তে দিয়ে আসার কথা বলেন। তারপর আমি নিয়ে আসার পথে দশটি মোটরসাইকেল পথরোধ করে। আমাদেরকে আটকিয়ে কিলঘুষি দিয়ে, আমাদের কাছে থাকা টাকা-পয়সা চেক করে সবকিছু নিয়ে যায়। কি কি নিছে আমি বলতে পারবো না।

এ ব্যাপারে ধোবাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) চান মিয়া বলেন, তাদেরকে সাধারণ জনগণ সীমান্ত এলাকা থেকে আটক করে সকাল ৬টার দিকে ধোবাউড়া থানা পুলিশের হাতে সোপর্দ করে। আটক চারজন বর্তমানে পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন।

এর আগে গত ৬ আগস্ট বিকাল ৩টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে সপরিবারে ভারতে ঢোকার চেষ্টা করেন শ্যামল দত্ত। সে সময় ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে ফেরত পাঠায়।
তথ্যসূত্র:জাগো নিউজ, ইত্তেফাক, কালবেলা, যুগান্তর

আটক সাংবাদিক শ্যামল দত্ত-মোজাম্মেল বাবুকে ঢাকায় নেয়া হচ্ছে