আওয়ামী লীগের দোসররা নাশকতার পথ বেছে নিয়েছে: রেল প্রতিমন্ত্রী

জনসমর্থন না থাকায় আওয়ামী লীগের দোসররা নাশকতার মাধ্যমে জনমনে ভীতি তৈরি করতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব। তিনি আরও বলেন, তারা আন্দোলনের পরিবর্তে নাশকতার পথ বেছে নিয়েছে।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাতে কমলাপুর রেলস্টেশনের ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে থাকা হাওর এক্সপ্রেস ট্রেনে আগুনের ঘটনা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, যারা নাশকতা করছে তারা জুলাই-আগস্টের পতিত সরকারের দোসর। জনসমর্থন না থাকায় তারা আন্দোলনের পরিবর্তে নাশকতার পথ বেছে নিয়েছে এবং এর মাধ্যমে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করতে চাচ্ছে।

তিনি বলেন, নাশকতার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। রেলওয়ে, রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী, পুলিশ, রেল পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে নিরাপত্তা ও নজরদারি আরও জোরদারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

হাবিবুর রশিদ হাবিব জানান, গতকালের ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। নাশকতার সঙ্গে জড়িত অন্যদেরও শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।

ট্রেনে আগুন দেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, মূল প্ল্যাটফর্মে আগুন দেওয়া হয়নি। ওয়াশ প্ল্যান্টের দিক থেকে ট্রেনটি আসার সময় গানপাউডার ব্যবহার করে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়লেও নিরাপত্তা বাহিনীর তৎপরতায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
নিরাপত্তাব্যবস্থা আরও জোরদারের পাশাপাশি স্টেশনে সার্বক্ষণিক সিসি ক্যামেরা ও পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।

ফায়ার সার্ভিসের দেরিতে পৌঁছানোর অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রাত সাড়ে ১০টার মধ্যেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। প্রাথমিকভাবে একটি গ্যারেজ পুরোপুরি পুড়ে গেছে। মোট ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্ত শেষে নির্ধারণ করা হবে।

ঘটনার কারণে প্রায় এক ঘণ্টা ট্রেন চলাচলে শিডিউল বিপর্যয় হয়েছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা ঠেকাতে স্টেশন ও রেলপথে নিরাপত্তা আরও বাড়ানো হবে।