উখিয়ায় এসআরবি-১৫-এর অভিযানে অপহৃত কিশোর উদ্ধার, অপহরণকারী গ্রেপ্তার

কক্সবাজারের উখিয়ায় অভিযান চালিয়ে অপহৃত ১৫ বছর বয়সী কিশোর মো. জসিমকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-১৫। এ সময় অপহরণের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে জামাল হোসেন (৩১) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযানে অপহরণের কাজে ব্যবহৃত একটি মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ভোর আনুমানিক ৪টা ১০ মিনিটে উখিয়া থানাধীন রাজাপালং ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের হাজংপাড়া রাস্তার মাথা এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করে এসআরবি-১৫-এর সিপিসি-২, হোয়াইক্যং ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল।

এসআরবি-১৫-এর প্রেস রিলিজ সূত্রে জানা যায়, গত ২৫ সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক ৮টার দিকে মো. জসিম বাড়ি থেকে বের হয়ে দক্ষিণ লেঙ্গুর বিল এলাকায় গিয়ে নিখোঁজ হয়। পরে পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি।

এর মধ্যে গত ২৭ সেপ্টেম্বর অজ্ঞাত একটি মোবাইল নম্বর থেকে জসিমের বাবা সৈয়দ আহম্মদের ব্যবহৃত মোবাইলের ইমোতে ফোন করা হয়। এ সময় জসিমকে অপহরণের কথা জানিয়ে তার মুক্তির বিনিময়ে তিন লাখ টাকা দাবি করা হয়। দাবিকৃত মুক্তিপণের টাকা না দিলে জসিমকে হত্যা করা হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়।

ঘটনার পর পরিবারের পক্ষ থেকে গত ২৮ সেপ্টেম্বর টেকনাফ থানায় একটি নিখোঁজ সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। বিষয়টি জানতে পেরে এসআরবি-১৫-এর একটি আভিযানিক দল কিশোরকে উদ্ধারে তৎপরতা শুরু করে।

এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার ভোরে রাজাপালং ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের হাজংপাড়া রাস্তার মাথা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে অপহৃত কিশোর মো. জসিমকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। একই সময় অপহরণের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে জামাল হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার জামাল হোসেন টেকনাফ থানার হাতিয়ার ঘোনা এলাকার বশির আহমদের ছেলে। অভিযানকালে তার কাছ থেকে অপহরণের কাজে ব্যবহৃত একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে এসআরবি-১৫।

পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গ্রেপ্তার জামাল হোসেন ও উদ্ধারকৃত কিশোর মো. জসিমকে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।