প্রধান ম্যেনু

কালীগঞ্জে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী লাঠি খেলা অনুষ্ঠিত

মোঃ হাবিব ওসমান, ঝিনাইদহ : গ্রামীণ সংস্কৃতির একটি অংশ লাঠি খেলা। ঐতিহ্যবাহী এই খেলাটি এখনো বেশ জনপ্রিয়। আবহমানকাল ধরে ঝিনাইদহসহ পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন জেলায় এক সময় বিনোদনের খোরাক জুগিয়েছে লাঠি খেলা। কিন্তু কালের বির্বতণে মানুষ আজ ভুলতে বসেছে এই খেলাটি।

ঢোল আর লাঠির তালে তালে নাচা নাচি। অন্য দিকে প্রতিপক্ষের হাত থেকে আত্মরক্ষার কৌশল অবলম্বনের প্রচেষ্টা সম্বলিত টান টান উত্তেজনার একটি খেলার নাম লাঠি খেলা। লাঠি খেলা অনুশীলনকারীকে লাঠিয়াল বলা হয়। এই খেলার জন্য লাঠি সাড়ে চার থেকে পাঁচ ফুট লম্বা, তবে প্রায় তৈলাক্ত হয়। প্রত্যেক খেলোয়ার তাদের নিজ নিজ লাঠি দিয়ে রণকৌশল প্রদর্শন করে।

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে মহান বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে ঐহিত্যবাহী লাঠি খেলা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার দুপুর থেকে কোলাবাজার ইউনাইডেট হাইস্কুল মাঠে ৭টি দল লাঠি খেলা প্রতিযোগিতা অংশ নেয়।

স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন উন্নয়ন ফোরামের উদ্যোগে এ লাঠি খেলা অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন গোয়ালখালী গ্রামের লুকমান সর্দারের দল, রামচন্দ্রপুর গ্রামের নোয়ারব আলী সর্দারের দল, মাড়ন্দী গ্রামের কওসার সর্দারের দল, বনখিদ্দা গ্রামের দলীল উদ্দিন সর্দারের দল, ধনঞ্জয়পুর জর্দারপাড়ার আজিবার সর্দারের দল, খড়াশিং গ্রামের আলফাজ সর্দারের দল, খড়িকাডাঙ্গা গ্রামের নুরালী মেম্বারের দল। লাঠি খেলা দেখতে দুর দরান্ত থেকে কয়েক হাজার দর্শক হাজির হয়।

কোলাবাজার উন্নয়ন ফোরামের সভাপতি জিল্লুর রহমান জানান, বাংলার ঐতিহ্যবাহী লাঠি খেলা আজ হারিয়ে যাচ্ছে। এক সময় এই খেলা দেখার জন্য হাজার হাজার দর্শক জড়ো হতো। লাঠি খেলা টিকিয়ে রাখতেই তারা মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে এ আয়োজন করেছেন। লাঠি খেলা প্রতিযোগিতার বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন লাঠিয়ার মুন্নাফ আলী।



মন্তব্য চালু নেই