প্রধান ম্যেনু

ঝিনাইদহে আর কত প্রাণ গেলে সড়ক দুর্ঘটনা রোধ হবে?

মোঃ হাবিব ওসমান, ঝিনাইদহ প্রতিনিধি : ঝিনাইদহ জেলার সড়ক ও মহাসড়কের নাজুক অবস্থা, অবৈধ্যভাবে যানবাহন পার্কিং ও দ্রুত গতিতে গাড়ি চালানোর কারনে গত ৩/৪ বছরে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য মর্মান্তিক সড়ক দূর্ঘটনায় অকালে ঝরে গিয়াছে অনেক প্রাণ। পঙ্গুত্ববরণ করছে তাদের সংখ্যাও একেবারে কম নহে।

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রতিদিনই মৃত্যু ঘটনা ঘটলেইও তেমন একটা সোচ্চার, আন্দোলন দেখা যায়না। কিছু বড় বড় দুর্ঘটনার ঘটার পর সারাদেশে হৈ চৈ মাতামাতি শুরু হলেও অল্প সময়ে আবার সে আন্দোলন থেমে যায়।

বর্তমান বাংলাদেশে যে সমস্যাটি প্রকট আকার ধারন করছে সেটি হচ্ছে সড়ক দুর্ঘটনা। সড়ক দুর্ঘটনা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে সাথে বাড়ছে মৃত্যু হার, বাড়ছে পঙ্গুগুত্বের সংখ্যা। এমন কোন দিন নেই যে, সড়ক দুর্ঘটনা হচ্ছেনা। প্রায় দিনই বেশ কয়েকটি সড়ক দূর্ঘটনা ঘটছে। সড়ক তো নয় এ যেন মুত্যু কুপ, প্রতিটি যানবাহন যেন সর্বোচ্চ গতিতে ধেয়ে আসা মৃত্যুদূত। চোখের পলকে ঘটে যাচ্ছে দুর্ঘটনা ও মুত্যু। যার কারনে দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে মৃত্যুর মিছিল। এ মিছিলে শামিল হচ্ছে সব শ্রেণী পেশার মানুষ। এ দূর্ঘটানায় হারাতে হচ্ছে কাছের আপনজনদের। মা, বোন, বাবা, ভাই, সন্তান, স্ত্রী এভাবে নিকটজন অস্বাভাবিক মুত্যুমুখে পতিত হচ্ছে। অকালে অস্বাভাবিক মৃত্যুর স্বাধ গ্রহন করতে হচ্ছে অনককেই। স্বজন হারানোর আর্তনাদে ভারি হচ্ছে বাতাস। পঙ্গুগুত্বের অভিশাপতো আরো ভয়াবহ। হয়ে উঠে দুর্বিসহ জীবনযাপন। পরিবারে নেমে আসে আর্থিক কষ্ট। প্রতিটি জীবনই মূল্যবান। তবে এসব সড়ক দুর্ঘটনায় এমন কিছু মানুষ আমরা হারিয়ে ফেলছি যারা এ সমাজের জন্য বড়ই প্রয়োজন। যাদের শূন্যতা কোনদিন পূরন হবার নয়। এ পর্যন্ত আমরা কত শত জ্ঞানী গূণী প্রতিভাবন হারিয়েছি তার কোন ইয়াত্তা নেই। পঙ্গুত্ববরণ করছে এমন লোকের সংখ্যা ও কম না।

গত ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে ইশ^রবা নামক স্থানে সড়ক দুর্ঘটনায় ফজলুর রহমান (২৭) নামে এক সবজি বিক্রেতা নিহত হয়। নিহত ফজলুর রহমান কোটচাঁদপুর উপজেলার ভোমরাডাঙ্গা গ্রামের মনছুর আলীর ছেলে। ঐ দিন রাত সাড়ে ১০টার দিকে কালীগঞ্জের কোটচাঁদপুর-কালীগঞ্জ সড়কের ঈশ্বরবা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এলাকাবাসী জানান, শ্যালো ইঞ্জিন চালিত আলমসাধু যোগে যশোরে সবজি নিয়ে যাবার পথে ঈশ্বরবা এলাকায় পৌছুলে আলমসাধুর চাকা ভেঙ্গে গেলে ফজলুর রহমান রাস্তার উপর ছিটকে পড়ে। এসময় পিছন থেকে আসা অপর একটি আলম সাধু চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তিনি নিহত হন।

১ ডিসেম্বর ২০১৫ ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে দু’মটর সাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই যুবক নিহত হয়। নিহতদের মধ্যে রাবিব আজাদ (৩০) নামের এক যুবকের পরিচয় পাওয়া গেলেও অপর জনের পরিচয় জানা যায়নি। নিহত রাবিব আজাদ কোটচাঁদপুর উপজেলার বামনদা গ্রামের জাহাঙ্গীর সিদ্দিকীর ছেলে। এ সময় উভয় মটর সাইকেলে থাকা আরো দুই আরোহী আহত হয়। তাদের কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করার পর অবস্থার অবনতি হলে যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে স্থানামত্মর করা হয়। ঐ দিন বিকাল ৪ টার দিকে উপজেলার ঈশ্বরবা বটতলা নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

১৮ ডিসেম্বর ২০১৬ সালের (রবিবার) বিকেলে কালীগঞ্জে ট্রাকের ধাক্কায় জাসিদ হোসেন (২০) নামে এক যুবক নিহত হয়। উপজেলার রঘুনাথপুর কেয়া বাগান এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত জাসিদ হোসেন মাগুরা জেলার শালিখা উপজেলার পিপরুল গ্রামের জাহাঙ্গীর হোসেনের ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, জাসিদ নামের এক ব্যাক্তি কেয়া বাগান এলাকা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন। এ সময় যশোরগামী একটি ট্রাক তাকে পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলে মারা যায়।

৩০ নভেম্বর ২০১৬ সাল (বুধবার) সকাল ৭ টার সময় ঝিনাইদহের কালীগঞ্জের বাবুবাড়ি নামক স্থানে সড়ক দুর্ঘটনায় আলম হোসেন (২৭) নামের এক মাটি কাটা শ্রমিক নিহত ও ৩ জন আহত হয়।

নিহত আলম একই উপজেলার ২ নং জামাল ইউনিয়নের খানজাপুর গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে।

স্থানীয়রা জানায়, জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার খানজেপুর গ্রাম থেকে ট্রলিতে করে মাটি কাটা শ্রমিকরা কোলাবাজার যাচ্ছিল মাটি কাটার কাজ করার উদ্দেশ্যে। পথিমধ্যে বাবুবাড়ি নামক স্থানে পৌছালে ট্রলিটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে উল্টে পড়ে। এতে চালক সহ ৪ জন আহত হয়। পরে তাদের উদ্ধার করে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আলম হোসেনকে মৃত বলে ঘোষনা করে।

৩১ জানুয়ারী ২০১৭ সাল (মঙ্গলবার) দুপুরে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে ট্রাকের ধাক্কায় আজিজুর রহমান আজিজ (৬০) নামের এক পল্লী চিকিৎসক নিহত হয়। কালীগঞ্জ শহরের নতুন ব্রীজ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত আজিজুর রহমান কালীগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতপুর গ্রামের মৃত রহিম উদ্দিনের ছেলে। নিহত আজিজুর রহমান ঐ দিন কালীগঞ্জ বাজার থেকে বাড়ি ফিরছিলেন ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের নতুন ব্রীজ এলাকায় একটি ট্রাক তাকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়। ট্রাকের ধাক্কায় তিনি গুরুত্বর আহত হলে স্থানীয়রা তাকে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করে।

০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭ সালে (শুক্রবার) সাড়ে ১২ টার সময় ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ নিমতলা বাসষ্ট্যান্ডে সড়ক দূর্ঘটনায় যশোর কলেজের মনোবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আশিকুর রহমান নিহত হন।

শুক্রবার দুপুর ১২টা ৩০মিনিটের সময় কালীগঞ্জ নিমতলা বাস ষ্ট্যান্ডে এ দূর্ঘটনা ঘটে। অধ্যাপক আশিকুর রহমান বাজার থেকে বাইসাইকেল যোগে ফল ক্রয় করে গান্না রোডের বাসায় ফেরার পথে পেছন থেকে একটি সি এন জি পিছন থেকে ধাক্কা দেয়। যশোর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তার মৃত্যুতে বন্ধু মহল সহ এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।

অনুমানিক ৩/৪ মাস আগে ঝিনাইদহ কালীগঞ্জে ১১ নং রাখালগাছি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মহিদুল ইসলাম মন্টু ও ইউপি সদস্য লুৎফর রহমান সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়। ঐ দিন রাতে তারা মটর সইকেল যোগে রঘুনাথপুর হইতে বাড়ী ফিরার পথে কুল্যাপাড়া নামক স্থানে ব্যাটারী চালিত ভ্যানের সাথে সংর্ঘষে গুরুত্বর আহত হন। স্থানীয় লোকজন তাৎক্ষনিকভাবে তাদেরকে যশোর হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়।

গত ১৮ মে ২০১৭ বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টার দিকে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ শহরের বৈশাখী তেল পাম্প এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় ২ জন নিহত ও প্রায় ৩০ জন আহত হয়েছিল। যশোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দু’জনের মৃত্যু হয়েছিল।

১০ জানুয়ারী ২০১৭ তারিখে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার লাউতলা এলাকায় আলমসাধু ও মোটর সাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে রবিউল ইসলাম (৩৫) নামে এক মোটর সাইকেল আরোহী নিহত হয়। এতে মিলন হোসেন নামে আরেক আরোহী আহত হয়েছেন।

নিহত রবিউল কালীগঞ্জ উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের বাবুল আক্তারের ছেলে ও মিলন একই গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে।

২৪ আগষ্ট ২০১৭ (বুধবার) দুপুরে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় অজ্ঞাতপরিচয় (৫০) এক নারী নিহত হয়েছেন। ঝিনাইদহ-যশোর মহাসড়কের দুলালমুন্দীয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানায়, ঐ দিন দুপুরে স্থানীয়রা দুলালমুন্দীয়া এলাকা থেকে গুরুতর আহত অবস্থায় ওই নারীকে উদ্ধার করে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। ধারণা করা হয়, ঝিনাইদহ অথবা যশোরগামী কোনও যানবাহনের চাপায় গুরুতর আহত হয়।

১২ আক্টোবর ২০১৭ তারিখে ঝিনাইদহ মাগুরা সড়কের পাঁচ মাইল এলাকায় মাহেন্দ্র ও পিকআপ ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে ২ জন ব্যাংক কর্মকর্তা নিহত হয়। নিহত ব্যাক্তির নাম আব্দুল মালেক কে বুধবার রাতে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল থেকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজে যাওয়ার পথে তিনি মারা যায়।

নিহত আব্দুল মালেক ঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জ থানার জামাল ইউনিয়নের তৈলকূপী (দিঘীরপাড়) গ্রামের আহম্মদ বিশ্বাসের ছেলে । আব্দুল মালেক শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক হাটগোপালপুর শাখার ম্যানেজার।

ঐ দিন রাত ৮ টার দিকে ঝিনাইদহ হাটগোপালপুর থেকে মাহেন্দ্র যোগে ১২ জন যাত্রী নিয়ে ঝিনাইদহে আসছিল। মাহেন্দ্রটি পাঁচ মাইল এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি পিকআপ ভ্যানের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মাহেন্দ্র চালক ও যাত্রীরা আহত হয়। খবর পেয়ে ঝিনাইদহ ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আহতদের উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জুবায়েরকে মৃত ঘোষণা করে। জুবায়ের শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক হাটগোপালপুর শাখার অ্যাসিস্ট্যান্ট এক্সিকিউটিভ অফিসার।

সর্বশেষ ১৯ নভেম্বর ২০১৭ (শনিবার) রাত ১২ টার দিকে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের বৈশাখী তেলপাম্প নামক স্থানে বাসের চাপায় প্রান্ত সাহা (২০) নামে এক কলেজ ছাত্র নিহত হয়। ঐ দিন রাত ১২ টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত প্রান্ত সাহা কালীগঞ্জ কলেজপাড়ার প্রকাশ সাহার ছেলে। সে যশোর বিসিএমসি কলেজের কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার বিভাগের শেষ বর্ষের ছাত্র।

স্থানীয়রা জানায়, মহাসড়কের উপর অবৈধ্যভাবে বাস-ট্রাক পার্কিং করার কারনে এই দূর্ঘটনা ঘটেছে। খয়েরতলা থেকে শুরু করে মোবারকগঞ্জ সুগারমিল পর্যন্ত রাস্তার উপর গাড়ী রেখে রাতদিন গাড়ীতে কাঠসহ অন্যান্য মালামাল লোড-আনলোড করে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। অবৈধ্য গাড়ী পার্কিং কিছুতেই বন্ধ হচ্ছে না। ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের অবৈধ্য গাড়ী পার্কিংয়ের কারনে এখানে প্রতিনিয়ত ছোট বড় দূর্ঘটনা ঘটছে।

কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান খান জানায়, শনিবার রাত ১২ টার দিকে একটি বাস মোটরসাইকেলকে চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়। মোটরসাইকেলে প্রান্ত সাহাসহ তার আরো দুই বন্ধু ছিল। এ সময় প্রান্ত গুরুত্বর আহত হয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতেই প্রান্ত সাহার মৃত্যু হয়।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের সড়ক দুর্ঘটনা গবেষণা ইনস্টিটিউটের সূত্র থেকে জানা যায়, সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে হলে প্রতিবছরের জন্য আলাদা লক্ষ্য ঠিক করে কর্মসূচি নিতে হবে। কিন্তু বাংলাদেশে এ ধরনের পরিকল্পনা সম্পর্কে তার জানা নেই।

জাতিসংঘে বাংলাদেশসহ সদস্য দেশগুলো অঙ্গীকার করেছিল ২০১১ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনা অর্ধেকে নামিয়ে আনার। কিন্তু বাংলাদেশে উল্টো দুর্ঘটনা ও হতাহতের সংখ্যা বাড়ছে। সড়ক দুর্ঘটনা অর্ধেকে নামিয়ে আনতে জাতিসংঘের যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে, তাতে বাংলাদেশ সই করেছে। বাংলাদেশে সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিতের দায়িত্ব সড়ক পরিবহন, স্বরাষ্ট্র, স্বাস্থ্য, স্থানীয় সরকারসহ কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের। এসব মন্ত্রণালয় কোন বছর কত সড়ক দুর্ঘটনা কমানো হবে, এর কোনো কর্মপরিকল্পনা হয়নি। কিছু সড়কের বাঁক সোজা করা এবং মাঝেমধ্যে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা ছাড়া সরকারের দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ নেই। যার ফলে সড়ক দুর্ঘটনা কমছেনা বরঞ্চ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।



মন্তব্য চালু নেই