প্রধান ম্যেনু

ডিমলায় পল্লী শ্রী রি-কল প্রকল্পের দুগ্ধ খামারকারীদের সম্বনয় সভা

হামিদা আক্তার, নীলফামারী প্রতিনিধি : নীলফামারীর ডিমলায় উপজেলা পরিষদ হল রুমে বে-সরকারী সংস্থা পল্লীশ্রী রি-কল প্রকল্পের আয়োজনে অক্সফ্যাম এর সহযোগীতায় দুগ্ধ-খামারকারীদের নিয়ে মাল্টি ষ্টোকহোল্ডার কমিটির সদস্যদের নিয়ে উপজেলার বিভিন্ন সরকারী ও বে-সরকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি সম্বনয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

৬ মার্চ সকালে সভায় উক্ত সংস্থার উপজেলা প্রকল্প সম্বনয়কারী পুরান চন্দ্র বর্মণ জানান, অক্সফ্যাম ইন বাংলাদেশের সহযোগীতায় রি-কল-২০২১ প্রকল্পটির বাস্তবায়নে রয়েছে দিনাজপুর বালুবাড়ীর পল্লীশ্রী। সংস্থার ফিল্ড ফ্যাসিলিটেটর সুমিত্রা রানীর সঞ্চালনায় উপজেলা প্রাণী সম্পদ কার্যালয়ের কর্মকর্তা ডাঃ রেজাউল হাসান এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন নীলফামারী-১(ডোমার-ডিমলা) আসনের সাংসদ বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আফতাব উদ্দিন সরকার।

তিনি বলেন, এ উপজেলায় খামারীরা প্রায় আড়াই হাজার লিটার দুধ উৎপাদান করলেও ডিমলায় চিলিং সেন্টার না থাকায় অনেক কষ্ট হচ্ছে বাজারে বিক্রয় করতে। আমি শীঘ্রই এ উপজেলায় একটি চিলিং সেন্টার স্থাপনের জোড় দাবী জানিয়ে মহান সংসদে উত্থাপন করেছি। আশা রাখি একটি সুরাহা খুব শীঘ্রই হবে। এ সময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাণী সম্পদ বিভাগের নীলফামারী জেলা কর্মকর্তা শাহীনুর আলম, রুপালী ব্যাংক ডিমলা শাখার ম্যানেজার মোঃ রকিবুল হাসান,ডিমলা কৃষি ব্যাংক ম্যানেজার পঙ্কজ কুমার সরকার, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ হুমায়ন কবীর,পল্লী শ্রীর ফিল্ড ফেসিলিটেটর গোলাম মোস্তফা, ডিমলা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম রেজা প্রমূখসহ উপজেলায় প্রায় অর্ধ-শতাধিক দুগ্ধ খামারী।

সভা শেষে প্রশ্নত্তোর পর্বে দুগ্ধ খামারী সুমন ইসলাম বলেন, আমার খামার হতে প্রতিদিন গড়ে দেড়’শ লিটার দুধ উৎপাদন হয়। কিন্তু ডিমলায় চিলিং সেন্টার না থাকায় এসব দুধ বিক্রয়ে প্রায়শই হিমসিমে পড়তে হয়। অনেক সময় অনেক কম দামেও দুধ বাজারে বিক্রয় করতে হয়। বর্তমানে আমি জেলার জলঢাকা উপজেলায় প্রায় ৩৫ কিলোমিটার দুরে গিয়ে চিলিং সেন্টারে দুধ বিক্রয় করছি। এতে করে পরিবহন বিলের কারনে লোকশানে গুনতে হয় প্রতিনিয়ত। কারনে এ উপজেলায় একটি চিলিং সেন্টার স্থাপনের জোড় দাবী জানাচ্ছি।



মন্তব্য চালু নেই