মেইন ম্যেনু

দুর্গাপুরে অবৈধভাবে গড়ে উঠেছে ৫ শতাধিক ঔষধের দোকান

দুর্গাপুর (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি : দুর্গাপুর উপজেলায় নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে ব্যাঙের ছাতার মতো অবৈধভাবে গড়ে উঠেছে প্রায় ৫ শতাধিক ঔষধের দোকান। এসব দোকানের পরিচালনায় আছেন হাতুড়ে চিকিৎসক। শুধু ট্রেড লাইসেন্স বা নাম মাত্র প্রশিক্ষন নিয়েই গ্রামের আনাচে-কানাচে গড়ে উঠছে এসব ঔষধের দোকান।

এ বিষয় নিয়ে সোমবার সরেজমিনে গিয়ে দেখাগেছে, দোকানের হাতুড়ে চিকিৎসকগন চিকিৎসা দেয়া ও উচ্চমাত্রার এন্টিবায়োটিক প্রদানসহ শরীরের ভেইনে স্যালাইন পুশ করছেন। মুনাফা লাভের আশায় অ্যান্টিবায়োটিকসহ নিম্নমানের বিভিন্ন ওষুধ রোগীর হাতে ধরিয়ে দিচ্ছেন। সে ঔষধ সেবন করে নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন অনেকেই। এদিকে দোকানের মালিকগন চিকিৎসার নামে অবৈধভাবে হাতিয়ে নিচ্ছেন হাজার হাজার টাকা। উপজেলার আলমপুর, শ্যামনগর, বারমারি, কালিকাপুর, গাওকান্দিয়া, কোনাপাড়া, আমরাতলা, কেরনখলা, কালামার্কেট, লক্ষিপুর, জাগিরপাড়া বাজার সহ বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় এমন চিত্র দেখা গেছে। উপজেলায় ছোট-বড় প্রায় ৫ শতাধিক ফার্ম্মেসীতে ওষুধ বিক্রির পাশাপাশি চিকিৎসা দেয়া হয়। এসব ফার্মেসিতে বড় সাইনবোর্ড ব্যবহার ও রোগীদের আকৃষ্ট করে যারা চিকিৎসা দিচ্ছেন, তাদের অধিকাংশেরই চিকিৎসা দেয়ার মতো কোন সনদ নেই। তবু তারা নিজেকে চিকিৎসক পরিচয় দিয়ে অপচিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছেন প্রতিনিয়ত। গ্রামে গ্রামে অবৈধ ভাবে গড়ে ওঠা এ ধরনের ফার্ম্মেসীর বিরুদ্ধে উপজেলা প্রাশাসন বা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের নজরদারি না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সচেতনমহল। উপজেলার ফুলপুর গ্রামের এক রোগী জানান, তার পেটের অসুখ নিয়ে ফার্ম্মেসীতে গিয়েছিলেন চিকিৎসার জন্য। ফার্ম্মেসীর চিকিৎসক তাকে উচ্চমাত্রার বিভিন্ন ওষুধ ধরিয়ে দেয়। সেই ওষুধ সেবনের পর, তার অসুখ আরো বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি অন্য রোগেরও লক্ষণ দেখা দিয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আনোয়ারুল আমীন আকন্দ এর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বিষয়টি আমার নজরেও এসেছে, জেলা সিভিল সার্জনের সাথে কথা বলে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে অচিরেই এর ব্যবস্থা নেয়া হবে। উপজেলা চেয়ারম্যান এমদাদুল হক খান বলেন, এ ধরনের অসাধু ঔষধ ব্যাবসায়ীকে আইনের আওতায় এনে অচিরেই ব্যবস্থা নেয়া হবে।



মন্তব্য চালু নেই