সৈয়দ আবুল মকসুদ ও ইব্রাহিম খালেদের মৃত্যুতে ন্যাপ-এনডিপি-গর্জো’র শোক

মুক্তবুদ্ধি চর্চার নিবেদিত প্রাণ, দেশের প্রথিতযশা সাংবাদিক, গবেষক,কলাম লেখক, বুদ্ধিজীবী সৈয়দ আবুল মকসুদ ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর ও বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ, ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এনডিপি ও গণ রাজনৈতিক জোট-গর্জো।

বুধবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমে প্রেরিত এক শোকবার্তায় বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া, এনডিপি চেয়ারম্যান খোন্দকার গোলাম মোর্ত্তজা ও মহাসচিব মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা এবং গর্জো সভা প্রধান সৈয়দ মইনুজ্জামান লিটু দেশের দুই কৃতিসন্তানের রুহের মাগফেরাত কামনা ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

তারা বলেন, প্রথিতযশা সেয়দ আবুল মকসুদের মৃত্যুতে বাংলাদেশের সাংবাদিকতা, সাহিত্য ও মুক্তবৃদ্ধি চর্চার জগতে এক অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে গেল। তিনি তার অসামান্য কর্মের জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।

নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, সৈয়দ আবুল মকসুদ ছিলেন অসাধারণ পাণ্ডিত্যের অধিকারী। তিনি রাষ্ট্র, রাজনীতি, সাহিত্য এবং বিভিন্ন ইস্যুতে গবেষণায় দক্ষতার প্রমাণ রেখেছেন। তার মৃত্যুতে জাতি এক অকৃত্রিম অভিভাবককে হারালো।

খ্যাতিমান ব্যাংকার খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে নেতৃবৃন্দ বলেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে আপসহীন এই যোদ্ধার বহুমুখী কর্মজীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ ছিল ২০১০ সালে পুঁজিবাজারে ধসের পর তদন্ত প্রতিবেদন প্রণয়ন।

তারা বলেন, খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ ব্যাংক, পুঁজিবাজার, আর্থিক প্রতিষ্ঠানের জটিল হিসাব-নিকাশ করেছেন সহজ সরলভাবে। কর্মজীবনে তুমুল ব্যস্ততার মাঝেও পছন্দ করতেন শিশু কিশোরদের সান্নিধ্য। জীবনে শেষ পর্যন্ত অঙ্গাঙ্গীভাবে যুক্ত ছিলেন কেন্দ্রীয় কচিকাঁচার আসরের সঙ্গে।



মন্তব্য চালু নেই