ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় ৫ মাসেই দৃশ্যমান উন্নয়ন: ৬০টি গ্রামীণ সড়ক নির্মাণ

ঝালকাঠি জেলার কাঠালিয়া উপজেলায় ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ কর্মসূচির আওতায় টিআর, কাবিখা ও কাবিটা প্রকল্পে ব্যাপক উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন হয়েছে।
ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর-কাঠালিয়া) আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম জামালের নির্বাচনী এলাকায় প্রথম কিস্তিতেই নির্মাণ করা হয়েছে ৬০টি গ্রামীণ সড়ক।
এসব প্রকল্পের আওতায় ইট সলিং, মাটির রাস্তা উন্নয়ন এবং সিসি ঢালাই সড়ক নির্মাণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। ইউনিয়নভিত্তিক প্রকল্পের মধ্যে চেঁচরীরামপুরে ৯টি, পাটিখালঘাটায় ১১টি, আমুয়ায় ১১টি, কাঠালিয়া সদরে ৯টি, শৌলজালিয়ায় ৯টি এবং আওরাবুনিয়ায় ১১টি সড়কের কাজ বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র পাঁচ মাসের মধ্যেই এত সংখ্যক উন্নয়নমূলক কাজ দৃশ্যমান হওয়ায় তারা সন্তুষ্ট। তাদের ভাষ্য, বিগত কয়েক বছরের তুলনায় চলতি অর্থবছরের প্রথম কিস্তির কাজ অনেক বেশি চোখে পড়ার মতো।
উল্লেখ্য, প্রতি অর্থবছরে এই কর্মসূচির আওতায় সাধারণত তিন কিস্তিতে প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয় এবং এটি চলতি অর্থবছরের প্রথম কিস্তির কাজ।
কিছু প্রকল্পের কাজের মান নিয়ে শুরুতে অভিযোগ উঠলেও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা যোবায়ের রহমান দ্রুত সরেজমিনে পরিদর্শন করে সংশ্লিষ্টদের মাধ্যমে ত্রুটি সংশোধন ও মানোন্নয়নের ব্যবস্থা নেন। ফলে প্রকল্পের কাজ এখন সন্তোষজনক মানে সম্পন্ন হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মকবুল হোসেন বিভিন্ন প্রকল্প সরেজমিনে পরিদর্শন করে কাজের অগ্রগতি ও মান তদারকি করেছেন।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা যোবায়ের রহমান বলেন, সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। কোথাও কাজের মান নিয়ে অভিযোগ পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় সংশোধনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি প্রকল্প নির্ধারিত মান বজায় রেখে বাস্তবায়নে আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম জামালের উন্নয়ন পরিকল্পনা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মকবুল হোসেনের তদারকি এবং উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা যোবায়ের রহমানের নিয়মিত মাঠ পর্যায়ের নজরদারির কারণে অল্প সময়েই উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় উন্নয়ন কার্যক্রম দৃশ্যমান হয়েছে। তারা আশা করছেন, অর্থবছরের পরবর্তী দুই কিস্তির কাজও একই মান বজায় রেখে বাস্তবায়িত হলে কাঠালিয়ার গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থায় আরও ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
















