পশ্চিমবঙ্গে ভোট : প্রচারে মোদি-অমিত-রাজনাথ, মমতা-কেজরিওয়াল-হেমন্ত

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় তথা চূড়ান্ত দফার ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে বুধবার। এদিন ভোট হবে ১৪২ আসনে। এর আগে সোমবার ছিল ভোটের প্রচারের শেষ দিন। এদিন রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস ও বিরোধীদল বিজেপিসহ অন্যরা প্রচারে ঝড় তুলেছে। বিজেপির পক্ষে জনসভা, পথসভা, রোড শো করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং এবং তৃণমূলের পক্ষে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও আম আদমি পার্টির প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল, ঝাড়খন্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন। তারা এদিন নিজেদের পক্ষে নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোটারদের মন জয়ের চেষ্টা করেন।
বাংলায় মসনদ টিকিয়ে রাখার জন্য এবার নানা পদক্ষেপ ও প্রচারে কোমর বেঁধে নামে তৃণমূল কংগ্রেস। এজন্য গত রবি ও সোমবার তারা ব্যাপক প্রচার চালায়। এ দুদিন তৃণমূল-সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশাপাশি দলটির পক্ষে মাঠে নামেন আম আদমি পার্টির প্রধান কেজরিওয়াল ও বিহারের সাবেক উপমুখ্যমন্ত্রী ও বর্তমান বিরোধী দলনেতা তেজস্বী যাদব, যা মূলত রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
শেষ বেলার প্রচারে ঝড় তুলেছেন তৃণমূলের সাধারণ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, টলিউড অভিনেতা দীপক অধিকারী (দেব), টলিউড অভিনেত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলী, বলিউড অভিনেত্রী মন্দাকিনী, হাওড়ার তৃণমূল প্রার্থী ডাক্তার রানা চ্যাটার্জি সমর্থনে রোড শোতে ছিলেন ঝাড়খন্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন।
একাধিক প্রচার সভা করেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। এ ছাড়া বিজেপির পক্ষে প্রচার চালান স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জেপি নাড্ডা, বলিউড অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী, ভোজপুরি সিনেমার অভিনেতা ও বিজেপি সংসদ সদস্য রবি কিষান, ভোজপুরি অভিনেতা মনোজ তিওয়ারি, স্মৃতি ইরানি, আসামের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত বিশ্ব শর্মা, উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী, মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীসহ আরও অনেকেই।
ভোট পড়েছে। ফলে দ্বিতীয় দফা অর্থাৎ শেষ দফার ভোটে কত শতাংশ ভোট পড়ে তা-ই দেখার অপেক্ষা। আগামী ২৯ এপ্রিল শেষ
আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এ নির্বাচনের ভোট গণনা হবে ৪ মে।
মোদির বার্তা: সোমবার প্রচারের শেষ পর্বে রাজ্যবাসীর উদ্দেশে মোদি বলেন, বাংলার যুবসমাজ এগিয়ে যাওয়ার জন্য উন্মুক্ত প্রাঙ্গণ চায়। এবার পরিবর্তন করেই ছাড়তে হবে। তিনি এবার জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী।
কী বললেন মমতার বার্তা: মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে বারবার উঠে আসছে একটা আশঙ্কার কথা। তার মুখে দিন কয়েক আগেই শোনা গিয়েছিল ঘোড়া-কেনাবেচা। এবার আরও একবার জল্পনা বাড়ালেন তিনি। আবারও বললেন, ‘পাঁচ বছরের স্থায়ী সরকার গঠন করতে হলে ডাবল সেঞ্চুরি করতেই হবে, তা না হলে বিধায়ক কিনে নিয়ে সরকার ভেঙে দিতে পারে বিজেপি।’ এ জন্য ২০০-এর বেশি আসনে জয়ের জন্য নেতাকর্মীদের ঝাঁপিয়ে পড়ার আহ্বান জানান মমতা।






























