চুয়াডাঙ্গায় ডিজিটাল প্রযুক্তিকে অপব্যবহারের অপরাধে ৩জনকে গ্রেফতার


দিন যতই যাচ্ছে আধুনিক হচ্ছে ঠিকই। তবে এ আধুনিকতাকে ডিজিটাল প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে হচ্ছে বিভিন্ন অপরাধও। এর মধ্যে অনলাইনের মাধ্যমে জুয়া খেলার অপরাধমুলক প্রচলন ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে চুয়াডাঙ্গা জেলাসহ সারাদেশে।
তারই অংশ হিসেবে অনলাইনে ই-ট্রানজেকশনের মাধ্যমে জুয়া পরিচালনা ও খেলার অপরাধে তিনজনকে আটক করেছে চুয়াডাঙ্গা জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।
শনিবার (১৪ জানুয়ারী) দিবাগত মধ্য রাতে জেলার দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা বাজারের কাউন্সিল মোড়ের জনৈক জাহিদের বন্ধ দোকানের সামনে থেকে মুন্সিপুর গ্রামের মাঝেরপাড়ার মৃত আইন উদ্দীনের ছেলে শামসুল আলম কটা (৩৫), একই গ্রামের কিতাব আলীল ছেলে উকিল আলীকে (২৮) গ্রেফতার করা হয়। পরে তাদের স্বীকারোক্তি মোতাবেক (১৪ জানুয়ারী) শনিবার কুষ্টিয়ায় অভিযান চালিয়ে কালি শংকরপুর গ্রামের মোতাহার হোসেনের ছেলে শাকিল পারভেজ শিমুলকে আটক করা হয় (৩০)।
এ বিষয়ে পুলিশ জানিয়েছে, ডিজিটাল প্রযুক্তির অপব্যবহার ও অপরাধ প্রতিরোধে জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ভিন্ন ভিন্ন স্থানে অভিযান চালায়। দামুড়হুদার মোক্তারপুরে অবস্থান করে ডিবি পুলিশের এসআই শিহাব উদ্দিন, সাজ্জাদ হোসেন, শেখ হাদীউজ্জামান, এএসআই রমেন কুমার সরকার, সাজদার রহমান ও তুহিন আক্তারসহ সঙ্গীয় ফোর্স ওই চক্রকে ধরতে সক্ষম হয়।
তিনি আরও জানান, গোপন সংবাাদের ভিত্তিতে জানাতে পারে কয়েকজন যুবক ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে উপরোক্ত অবস্থানে অনলাইনে জুয়া খেলছে। সেসময় আভিযানিক দলটি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে অনলাইন জুয়ার অর্থ লেনদেনকালে শামসুল আলম কটা ও উকিল আলীকে হাতেনাতে আটক করা হয়। পরে তাদের স্বীকারোক্তি বেরিয়ে আসে এমন অবৈধ কাজে সমর্থন-অনলাইনে অর্থ গ্রহণ ও নিয়ন্ত্রণ করেন কুষ্টিয়ার শাকিল পারভেজ শিমুল। তাদের তথ্য মতে শাকিল পারভেজ শিমুলকে কুষ্টিয়া থেকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি এ অনলাইন জুয়ার মাস্টারমাইন্ড হিসেবে পরিচিত।
গ্রেফতারকৃত আসামীদের কাছ থেকে অনলাইন জুয়ার কাজে ব্যবহৃত ৪ টি এন্ড্রয়েড মোবাইল, ৪ টি বাটন মোবাইল ও অনলাইন জুয়ার কাজে ব্যবহৃত বিকাশের সর্বমোট ১১ হাজার ৫৮১ টাকা উদ্ধার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে দামুড়হুদা মডেল থানায় নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে।

এই রকম সংবাদ আরো পেতে হলে এই লেখার উপরে ক্লিক করে আমাদের ফেসবুক ফ্যান পেইজে লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন। সংবাদটি সম্পর্কে মন্তব্য করতে হলে এই পেইজের নীচে মন্তব্য করার জন্য ঘর পাবেন