ঝিনাইদহে মাদরাসা প্রধানের হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার

ঝিনাইদহে ইসমাইল হোসেন (৩৫) নামের এক হাফেজিয়া মাদরাসার প্রধানকে গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যা করা হয়েছে। সোমবার (০১ মার্চ) সকালে সদর উপজেলা গোপালপুরের একটি বাড়ি থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

মরদেহের দুই হাত ও পা কাপড় দিয়ে বাঁধা ছিল। নিহত ব্যক্তি ওই বাড়িতে ভাড়া থাকতেন।

নিহত ইসমাইল সদর উপজেলার হলিধানী গ্রামের ইব্রাহিম হোসেনের ছেলে ও বড় বাড়ি নুরানী হাফেজিয়া মাদরাসার প্রধান হিসাবে দ্বায়িত্ব পালন করছিলেন।

নিহতের স্ত্রী ইসমাত জাহান টুনি জানান, ইসমাইল রোববার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় সুশান্ত নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে বাইরে যায়। এরপর থেকে তিনি আর বাড়িতে ফেরেননি।

তিনি জানান, ইসমাইল কিছুদিন আগে গোপালপুর এলাকার একটি মন্দিরের কাছে জমি ক্রয় করেন। এই জমিটি নিয়ে স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের সঙ্গে সমস্যার সৃষ্টি হয়। জমিটি না নেয়ার জন্য হিন্দু সম্প্রদায়ের সদস্যরা তাকে বলে। সম্প্রতি জমিটি ফিরিয়ে দেয়ার জন্য টাকাও নিয়েছিল ইসমাইল।

এদিকে নিহত ইসলামের বাবা ইব্রাহিম হোসেন বলেন, ‘আমার ছেলে তার বউ এর সঙ্গে পারিবারিক কোন্দলের জেরে বাড়ি ছেড়ে গোপালপুরের শরিফুল নামের এক ব্যক্তির ভাড়াবাড়িতে বসবাস করছিল’।

স্থানীয় কাজি তৌহিদুর রহমান জানান, ‘রোববার সন্ধ্যায় আমার বাড়িতে গিয়েছিল ইসমাইল। দেখা হওয়ার পর মাদরাসার উদ্দেশ্যে বেরিয়ে যায়। এরপর সকালে তার মরদেহ উদ্ধারের সংবাদ পাই’।

তবে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যাওয়া ঝিনাইদহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল বাশার এ বিষয়ে মন্তব্য করতে অপারগতা স্বীকার করে জানান, তদন্ত চলছে পরে বিস্তারিত জানানো হবে।



মন্তব্য চালু নেই