ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন রংপুরের পীরগঞ্জে এনসিপি’র শাপলা ফোটাবেন কে!

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রংপুরের ২ টি আসনে মনোনয়ন চুড়ান্ত করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। বাকি চারটি আসনের মধ্যে রংপুর-০৬ পীরগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)’র মনোনয়ন নিয়ে দলে সরব আলোচনা চলছে। মূলত শাপলা কলি ফোটাবেন কে? এ নিয়ে সর্বত্রে চলছে সরব আলোচনা। সংসদীয় আসনটিতে মনোনয়ন পাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করে দলীয় মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন ৫ জন নেতা।
দলীয় সূত্র জানায়, মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে রয়েছেন- যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী প্রকৌশলী আবু জাহিদ নিউ, তিনি রংপুর জেলা এনসিপি’র সদস্য, তাকিয়া জাহান চৌধুরী তিনি রংপুর জেলার যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে রয়েছেন। জাতীয় যুব শক্তির কেন্দ্রীয় সংগঠক ও রংপুর বিভাগীয় উপকমিটির সদস্য মাসুম বিল্লাহ্, রংপুর জেলা এনসিপি’র যুগ্ম সদস্য সচিব পীরগঞ্জ উপজেলা শাখার প্রধান সমন্বয়কারী এ এস মজনু এবং শ্রমিক শক্তির কেন্দ্রীয় সংগঠক মাসুম বিল্লাহ।
এনসিপি’র স্থানীয় নের্তৃবৃন্দরা জানান, জনপ্রিয়তা, সাংগঠনিক অবদান, মাঠপর্যায়ের কাজ, সততা ও গ্রহণযোগ্যতা এই মানদণ্ডে মনোনয়ন চূড়ান্ত করবে দলীয় মনোনয়ন বোর্ড। সম্ভাব্য প্রার্থীরা ইতোমধ্যে এলাকায় গণসংযোগ শুরু করছেন। জনগণের সামনে নিজেদের উনন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরছেন।
মনোনয়ন প্রত্যাশী প্রকৗশলী আবু জাহিদ নিউ বলেন, মনোনয়নের ব্যাপারে আমি আশাবাদি। ইতিমধ্যে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে আমি গণসংযোগ করেছি। ভোটারদের ব্যাপক সাড়া পেয়েছি। তাই দল আমাকেই মনোনীত করবে।
জাতীয় যুব শক্তির কেন্দ্রীয় সংগঠক মাসুম বিল্লাহ্ জানান, আমি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে জড়িত থেকে নের্তৃত্ব দিয়েছি। দলের মনোনয়ন বোর্ড আমাকেই মনোনয়ন দিবে কারন আমি একজন জুলাই যোদ্ধা।
অপর মনোনয়ন প্রত্যাশী তাকিয়া জাহান চৌধুরী বলেন, আমি শুরু থেকেই এনসিপিতে আছি। যাচাই বাছাই করে দল এই আসনে নারী প্রার্থী হিসেবে আমাকেই মনোনয়ন দিবে। উপজেলা প্রধান সমন্বয়কারী এ এস মজনু বলেন, “ন্যায়সংগত যাচাই-বাছাইয়ের পর খুব শিগগিরই চূড়ান্ত মনোনয়ন ঘোষণা করবে কেন্দ্রীয় মনোনয়ন বোর্ড।
জনগণের কাছে যার গ্রহণযোগ্যতা বেশি, তাকেই দল বেছে নেবে। ভোটারদের প্রত্যাশা—সড়ক অবকাঠামো, কৃষি সহায়তা, শিক্ষা-স্বাস্থ্য ও গ্রামীণ উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন এমন প্রার্থীই যেন চূড়ান্ত মনোনয়ন পায়। চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ হলে পীরগঞ্জে এনসিপির নির্বাচনী মাঠ আরও গতিশীল হয়ে উঠবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

















