বগুড়ার শিবগঞ্জে এবার ঈদে প্রাণের ভাটা ঐতিহাসিক মহাস্থানগড়ে

বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা ঐতিহাসিকভাবে একটি প্রতœতত্ত¡ এলাকার। এই এলাকায় রয়েছে ঐতিহাসিক মহাস্থানগড়, ভাসুবিহার বৌদ্ধমটসহ নানা দর্শনীয়স্থান। তাই দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পর্যটকরা ঘুড়তে আসে পুন্ড্রুনগরি হিসেবে খ্যাত এই মহাস্থানে।

ঈদের ২য় দিনে ঐতিহাসিক মহাস্থানগড়ের জাদুঘর, পশুরামের রাজপ্রাসাদ, জাহাজ ঘাটা, গোবিন্দ ভিটা, মহাস্থান বন্দর সংলগ্ন হযরত শাহ সুলতান বলখী (র:) এর মাজার শরীফ ও ভাসুবিহারের প্রতœতত্ত¡ এলাকায় প্রাণের ভাটা লক্ষ্য করা হিসেছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, এবার ঈদের ছুটিতে মহাস্থানগড় এলাকায় দর্শনার্থীদের ব্যাপক সমাগম হওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও তা লক্ষ্য করা যায়নি রয়েছে। তবে মহাস্থান প্রতœতত্ত¡ এলাকায় ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবারের ঈদে। এতে সন্তুষ্ট প্রকাশ করেছে পর্যটকরা।

বগুড়া কলনি থেকে স্ব-পরিবারে ঘুরতে আসা মাহমুদ হোসেন বলেন, পরিবার নিয়ে মুক্তভাবে ঘুড়তে পেরে খুব ভালো লাগছে।
আর এক দর্শনার্থী রংপুরের মর্জিনা বেগম জানায়, বিবাহের পর স্বামীকে সাথে নিয়ে মহাস্থানগড়ে এই প্রথম ঘুরতে এসেছি, খুব ভালো লাগছে। পরিবেশটাও অনেক সুন্দর।

মহাস্থানগড় এলাকার ব্যবসায়ী ফজলু হক বলেন, বলেন, এবার ঈদে পর্যটকের আগমন তুলনামূলক কম হয়েছে।
মহাস্থানগড়ের টিকিট কাউন্টার সূত্রে জানা যায়, ঈদুল আযহার ২য় দিনে প্রায় ১৪’শ টিকিট বিক্রি হয়েছে। যা গত ঈদুল ফিতরের তুলনায় অর্ধেকও কম।

এবিষয়ে মহাস্থানগড়ের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা কাস্টডিয়ান রাজিয়া সুলতানা বলেন, করোনা পরিস্থতির কারণে এবার ঈদে পর্যটক কিছুটা কম হলেও তারা নির্বিঘ্নে ঘোরাফেরা করতে পারছে।