তারেকের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে বেনাপোল বন্দরে শ্রমিক ইউনিয়ন ৯২৫-এর আনন্দ মিছিল

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দর এলাকায় আনন্দ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। ‘তারেক জিয়া আসছে, বাংলাদেশ হাসছে’, ‘লিডার আসছে’—এমন নানা স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে বন্দরনগরী বেনাপোল।
বুধবার সকালে বেনাপোল স্থলবন্দর হ্যান্ডেলিং শ্রমিক ইউনিয়ন ৯২৫ এর কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি শুভেচ্ছা মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি বেনাপোল স্থলবন্দরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় ইউনিয়ন কার্যালয়ে এসে শেষ হয়।
বেনাপোল স্থলবন্দর হ্যান্ডেলিং শ্রমিক ইউনিয়ন ৯২৫-এর সাধারণ সম্পাদক শহীদ আলীর নেতৃত্বে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। আনন্দ মিছিলে অংশগ্রহণকারী শ্রমিকরা জাতীয় ও দলীয় পতাকা বহন করে তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তনকে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের নতুন অধ্যায় হিসেবে উল্লেখ করেন।
কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বেনাপোল স্থলবন্দর হ্যান্ডেলিং শ্রমিক ইউনিয়ন ৯২৫-এর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি তবিবুর রহমান তবি, সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, সহ-সাধারণ সম্পাদক (১) আব্দুল মজিদ, সহ-সাধারণ সম্পাদক (২) জিয়াউর রহমান, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ইদ্রিস আলী (ডাক্তার), প্রচার সম্পাদক ওমর ফারুক, কোষাধ্যক্ষ সবুজ হোসেন, কার্যনির্বাহী সদস্য কামরুজ্জামানসহ ইউনিয়নের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। এছাড়া ইউনিয়নের বিপুল সংখ্যক শ্রমিক আনন্দ মিছিলে অংশ নেন।
এ সময় শ্রমিকদের উদ্দেশে বক্তব্য ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক শহীদ আলী বলেন, দীর্ঘদিন পর তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষের জন্য একটি আশার বার্তা। তাঁর নেতৃত্বে দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলন আরও বেগবান হবে। শ্রমজীবী মানুষ বিশ্বাস করে, তারেক রহমান দেশে ফিরলে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার ও ভোটাধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা হবে।
তিনি আরও বলেন, শ্রমিক ইউনিয়ন সবসময় গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে পাশে থাকবে।
আনন্দ মিছিলটি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয় এবং অংশগ্রহণকারীরা ভবিষ্যতে বৃহত্তর গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।






























